মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকট বিশ্বব্যাপী যাত্রী পরিবহনে বিরাট প্রভাব ফেলেছে। ইসরায়েল ইরানের ভেতরে হামলা চালানোর পর পুরো অঞ্চলটিতে উত্তেজনা চরমে ওঠে। এর জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মার্কিন সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায়, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে অঞ্চলটির বহু দেশ আকাশসীমা বন্ধ করে দেয়। ফলে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। প্রথমেই দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটস তাদের ফ্লাইট স্থগিত করে। এরপর পর্যায়ক্রমে এয়ার ফ্রান্স, কাতার এয়ারওয়েজ, টার্কিশ এয়ারলাইনস, লুফথানসা, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, উইজ এয়ার, ভার্জিন আটলান্টিকসহ আরও বেশ কয়েকটি বড় আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স ফ্লাইট বাতিল বা রিরাউটের সিদ্ধান্ত নেয়।
এ ছাড়া জাপান এয়ারলাইন্স, ইন্ডিগো, আইবেরিয়া এক্সপ্রেস, লট পোলিশ এয়ারলাইন্স, নরওয়েজিয়ান এয়ার, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান এয়ারলাইন্স, পেগাসাস ও আইটিএ এয়ারওয়েজও মধ্যপ্রাচ্যের ওপর দিয়ে উড়োজাহাজ চলাচল স্থগিত করেছে।
হঠাৎ আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাজারো যাত্রী বিভিন্ন দেশে আটকে পড়েছেন। বিমানবন্দরে ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কার্গো পরিবহনেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনো আন্তর্জাতিকভাবে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
সূত্র: আল জাজিরা।