শিরোনাম :
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউনেস্কো প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ:পুলিশ প্রশিক্ষণে সহযোগিতা দিবে ইউনেস্কো সংস্কৃতি চর্চা ছাড়া সমাজকে আলোকিত করা সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সাথে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার সৌজন্য সাক্ষাৎ মামলার জট কমাতে লিগ্যাল এইডকে আরও কার্যকর করার আহ্বান আইনমন্ত্রীর ভূগর্ভস্থ পানি নয়, এখনই ভূ-উপরিস্থ পানির দিকে যেতে হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী কোস্ট গার্ডকে আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ইন্টারনেটের গতির মতো আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে চলবে ডিএসসিসি: প্রশাসক আবদুস সালাম ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগে অংশীদারিত্বকে কৌশলগত সুযোগ: জোসিপোভিচ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত: হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ, জাপান জরুরি তেলমজুদ ছাড়ল

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতিতে জাপান তাদের কৌশলগত তেলভান্ডারের একাংশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জাপান তাদের সংরক্ষিত তেলের মজুদ ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি তেলের দাম নির্ধারণ (ক্যাপ) করার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা যায়। দেশটির ৯৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি হয়, তাই হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা জাপানের জন্য বিশেষ ঝুঁকির কারণ।

টোকিওর দক্ষিণে মিসাকি এলাকার জেলে এবং সামুদ্রিক খাবার ব্যবসায়ীরা ক্রমবর্ধমান জ্বালানির মূল্যের চাপের মুখোমুখি। স্থানীয় রেস্তোরাঁ ব্যবস্থাপক এবং মাছ ধরার ট্রলারের ক্রুরা জানিয়েছেন, জ্বালানির উচ্চমূল্য তাদের ব্যবসায় ও খাবারের দামের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা: জাপান তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভাণ্ডার খোলার প্রস্তুতি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে উদ্বেগ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে জাপান তাদের কৌশলগত তেলভাণ্ডারের একটি অংশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জাপান সরকার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে, তারা জরুরি তেলের মজুদ ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি তেলের দাম নির্ধারণ করবে। দেশটি তাদের অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে, তাই এই নৌ-রুটে অস্থিরতা সরাসরি দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করতে পারে।

টোকিওর দক্ষিণে মিসাকি এলাকায় জ্বালানির ক্রমবর্ধমান দাম স্থানীয় জেলে এবং খাবার ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তেলের মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে খাবারের দাম বাড়াতে বাধ্য হবেন, না হলে ব্যবসার ক্ষতি হবে।

সরকারি কর্মকর্তারা সতর্ক করে জানিয়েছেন, অস্থিরতা চলতে থাকলে তেল আমদানি কমে যেতে পারে। তাই সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে এবং জ্বালানি-নির্ভর শিল্পগুলোকে রক্ষা করতে শোধনাগারগুলোতে জরুরি মজুদ সরবরাহ করা হতে পারে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD