ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার পাঁচদিন পর নার্গীস আক্তার (৪০) ও ময়না বেগম (৫৫) নামে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ।
নিহত নার্গীসের বড় ছেলে তানভীর আহম্মেদের অভিযোগ তার মা নার্গীস আক্তার ও মায়ের বান্ধবী ময়না বেগমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১টায় উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের সুলতানপুর এলাকার আওনা চকের একটি পুকুর থেকে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করা হয়।
মৃত নার্গীস আক্তার উপজেলার যন্ত্রাইল গ্রামের ইমান আলীর স্ত্রী এবং ময়না বেগম পার্শ্ববর্তী আজিজপুর গ্রামের জামাল খানের স্ত্রী বলে জানা গেছে।
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান জানান, শুক্রবার দুপুরে শোল্লা ইউনিয়নের সুলতানপুর এলাকার আওনা চকের একটি পুকুরে এক নারী পানি আনতে গিয়ে দুই নারীর মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসীকে জানায়। পরে এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে মরদেহ দু’টি উদ্ধার করে।
তিনি আরো জানান, পচন ধরায় ধারণা করা হচ্ছে কয়েকদিন আগে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দু’টি মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৯ এপ্রিল সন্ধ্যার পর নার্গীস আক্তারকে কে বা কারা তার মোবাইলে কল করে। এসময় নার্গীসের বাড়িতে ময়না বেগম উপস্থিত ছিলেন। মোবাইলে কথা বলা শেষে তারা দু’জন ঘর থেকে বের হয়ে যান। অনেকক্ষণ পর তারা ফিরে না আসায় উভয় পরিবার থেকে ফোন করলে নার্গীসের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং ময়নার মোবাইল খোলা থাকলেও সে রিসিভ করেনি। অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে ১০ এপ্রিল রাতে নার্গীসের ছেলে তানভীর আহম্মেদ তার মা ও মায়ের বান্ধবীর নিখোঁজের বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন।