চুয়াডাঙ্গা থেকে অর্পণ রকি: চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার ৮ নম্বর ওয়ার্ড আশতলা পাড়ার প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াত সুবিধার্থে ৭৭ হাজার ৮২৯ টাকা ব্যয় করে, (১৫১ ফুট দৈর্ঘ্য ও সাড়ে তিন ফুট প্রস্থ) ভৈরব সাঁকো উদ্বোধন করা হয়েছে।
ভৈরব সাঁকোটি উদ্বোধন করায় প্রাইমারি স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের ব্যাপক সুবিধা হয়েছে বলে জানায় প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী।
আজ সকাল ১০ টা ১০ মিনিটে সাঁকোটি উদ্বোধন করা হয়। সাঁকোটি উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ অমল, জীবননগর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, নম্বর ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হযরত আলী, যুদ্ধ, রমজান, রেনুকা আক্তার, সাজেদা ইয়াসমিনসহ বন্ধু রক্তদান কেন্দ্রের সদস্য ও এ্যাকটিভ সিটিজেন এর সদস্যরা।
বেশ কিছুদিন আগে ৩০ জন কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা, এ্যাকটিভ সিটিজেন এর একটি ট্রেনিং করেন। ট্রেনিং এর মধ্যে হোসনেয়ারা ও শ্রুতি, তাদেরকে বোঝায়, তারা সমাজের কাছে দায়বদ্ধ তাই সমাজের জন্য তাদের কিছু করা উচিত।
এই কথা চিন্তা করে এ্যাকটিভ সিটিজেন এর ৩০ জন সদস্যরা মিলে ঠিক করেন তারা প্রাইমারি স্কুল ছাত্র ছাত্রী দের যাতায়াতের জন্য ভৈরব নদীর উপর একটি সাঁকো নির্মাণ করবেন। তারপর থেকেই তারা সাঁকো নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করেন।
তবে এ্যাকটিভ সিটিজেন এর সকল সদস্যরা পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তাদের পাশে এসে দাঁড়াই বন্ধু রক্তান কেন্দ্র, পরে এ্যাকটিভ সিটিজেন ও বন্ধু রক্তদান কেন্দ্র মিলে, কারো কাছ থেকে টাকা ও কারো কাছ থেকে বাশ নিয়ে, ভৈরব সাঁকো নাম নামকরণ করে কাজটি শুরু করেন।
ভৈরব সাঁকো বাস্তবায়নে সবথেকে বড় ভূমিকা রেখেছে বন্ধু রক্তদান কেন্দ্রের সভাপতি সামিউল ইসলাম অভি, মিঠুন মাহমুদ, অর্পণ রকি, মাসুদ রানা, মুরাদ হোসেন, রবিন, প্রিন্স, লাবনী, মিম, ইরানি, কল্পনা, সাখাওয়াত, ইব্রাহিম, ঐশ্বর্য সাহা, জান্নাত, জনি, নাসরিন, সীমা, বাপ্পা, ওয়াসিম, অসীম(২)সহ আরো অনেকের।