শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর পাঠানো হলো শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই: রোমে পরিবেশমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা

প্রতিবন্ধী তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষতা বাড়াতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

প্রযুক্তিনির্ভর অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত ক্ষমতায়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেছেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য, যেখানে কোনো প্রতিভা প্রতিবন্ধকতার কারণে থেমে থাকবে না এবং প্রযুক্তির সুফল থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না।

শনিবার রাজধানীর গ্রীন রোডে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে অনুষ্ঠিত ‘যুব প্রতিবন্ধীদের জন্য জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা–২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধিতা কোনো ব্যক্তির সামর্থ্যের সীমারেখা নয়। যথাযথ প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে প্রতিবন্ধী তরুণ-তরুণীরাও দেশের ডিজিটাল রূপান্তর ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারেন। তাই তাদের দক্ষতা বিকাশে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার এমন একটি প্রযুক্তিভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে সমাজের কোনো শ্রেণি উন্নয়নের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে না। প্রযুক্তিতে সমান সুযোগ নিশ্চিতের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, এ ধরনের প্রতিযোগিতা শুধু মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে না, বরং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও তুলে ধরে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী অক্টোবরে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল আইটি কম্পিটিশন ফর ইয়ুথ উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ (জিআইটিসি)-এ অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশি প্রতিনিধিরা দেশের জন্য সাফল্য বয়ে আনবেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক নাহিদ সুলতানা মল্লিক বলেন, জাতীয় আইটি প্রতিযোগিতা প্রতিবন্ধী তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, বিসিসি, সিএসআইডি এবং ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের যৌথ উদ্যোগে ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতাটি আরও বড় পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এবার ছিল প্রতিযোগিতার দশম আসর। চারটি বিভাগে মোট ৭০ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। এর মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিভাগে ২১ জন, শারীরিক প্রতিবন্ধী বিভাগে ২৫ জন, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিভাগে ১৫ জন এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিভাগে ৯ জন প্রতিযোগিতা করেন। প্রতিটি বিভাগ থেকে প্রথম তিনজনসহ মোট ১২ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভিয়েতনামে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিভাগে মো. শাকিল মিয়া, শারীরিক প্রতিবন্ধী বিভাগে শেখ ইয়ামিন আহসান, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিভাগে নাহিন সিরাজ এবং নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার বিভাগে আরিয়ান ইসলাম। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী এই চার বিজয়ীকে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করার ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে সিএসআইডির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলম, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপার্সন কে এম মুজিবুল হক, প্রতিযোগী, তাদের অভিভাবক এবং বিসিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD