শিরোনাম :
সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়! বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ পর্যটন অবকাঠামো গড়ার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর কার্যকর হচ্ছে ইরানের সব এয়ারলাইনসের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তান-চীন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র আপত্তি, শাকসগাম উপত্যকা ঘিরে উত্তেজনা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্র অর্থনীতিতে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশ-চীন বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ জোরদারে অনুবাদের গুরুত্ব সবুজ উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে চীন-অস্ট্রেলিয়া সহযোগিতা ‘আইনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে কেউ নয়’: নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মামদানি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে তিন মার্কিন সংবাদমাধ্যম

হরমুজ অচল, আরব অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা: জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত এক মাসে পা দিতেই উপসাগরীয় অঞ্চলে গভীর মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিরতায় অঞ্চলজুড়ে অন্তত ৪০ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের কবলে পড়তে পারে।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) জানায়, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া এবং বাণিজ্য প্রবাহে বিঘ্ন ঘটার ফলে আরব দেশগুলো সম্মিলিতভাবে ১২০ থেকে ১৯৪ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত জিডিপি হারাতে পারে। বিশেষ করে তেলনির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য এই ক্ষতি হবে মারাত্মক, যা তাদের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে হরমুজ প্রণালীর কার্যত অচলাবস্থাকে দায়ী করা হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। প্রণালীতে চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়ায় কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনের মতো দেশগুলো তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যার প্রভাব বিশ্ববাজারেও পড়ছে।

জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব আবদুল্লাহ আল-দারদারি পরিস্থিতিকে “অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক ধাক্কা” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, যে মাত্রার দারিদ্র্য বৃদ্ধি সাধারণত কয়েক বছরে ঘটে, তা এখানে মাত্র এক মাসেই দৃশ্যমান হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জ্বালানি খাতে এই অস্থিরতার প্রভাব শ্রমবাজারেও পড়বে। বেকারত্বের হার বাড়তে পারে প্রায় ৪ শতাংশ, ফলে প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে জিসিসি ও লেভান্ট অঞ্চলের দেশগুলোতে জিডিপি হ্রাসের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এই সংকট আরও গভীর হবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD