শিরোনাম :
নিউইয়র্কে ‘উইমেন লিডার্স’ প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান বহর আধুনিকায়নে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন চুক্তি, কিনবে ১১ উড়োজাহাজ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম জয় এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যু: মামলায় আসামি মামা কারাগারে কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কারিগরি সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় সভা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লবায়ু সংকট মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর কার্যকর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী চীন-মার্কিন সুসম্পর্ক বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে: জরিপ খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় কৃষকদের আয় ও উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

সবুজ উন্নয়নে আইনগত ভিত্তি শক্তিশালী করছে চীন: সি চিন পিং

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

বেইজিংয়ে আয়োজিত এক স্বেচ্ছাসেবী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। ৩০ মার্চ (সোমবার) এই কর্মসূচিতে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, একটি সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ যেমন সবার উপভোগ করার অধিকার রয়েছে, তেমনি এর সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাও প্রয়োজন। তিনি দেশবাসীকে বনায়ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে ‘চীনা শৈলী আধুনিকায়ন’-এর ভিত্তি আরও উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ হয়।

কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সাথে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট সি উল্লেখ করেন যে, চীনের অষ্টাদশ জাতীয় কংগ্রেসের পর থেকে দেশে বনাঞ্চল এবং গাছের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সাথে মরুভূমি এবং বালুকাময় ভূমির পরিমাণও ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পেয়েছে। চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত সবুজায়নকারী দেশ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি প্রবর্তিত ‘পরিবেশ বিষয়ক আইন’, ‘সুন্দর চীন’ গড়ার আইনি ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে। তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ হলো সুন্দর চীন বিনির্মাণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং এই জনকল্যাণমূলক কাজটি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করতে হবে।

প্রেসিডেন্ট সি বিশেষভাবে স্মরণ করিয়ে দেন যে, বর্তমান বছরটি ‘পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা’-এর প্রারম্ভিক বছর এবং একই সাথে জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী বৃক্ষরোপণ আন্দোলনের ৪৫তম বার্ষিকী। নতুন পরিস্থিতিতে বনায়ন প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিতে হলে গুণমান বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনগণের কল্যাণের ওপর বেশি জোর দিতে হবে। গাছ লাগানো এবং তার যত্ন নেওয়া—উভয়কেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে একটি টেকসই সহাবস্থান তৈরি হয়।

তিনি বনায়নের ক্ষেত্রে জায়গার সঠিক ব্যবহারের নির্দেশ দেন এবং বলেন, যেখানে যেমন প্রয়োজন—সেখানে সেই অনুযায়ী গাছ বা ঘাস রোপণ করতে হবে। যেখানে গাছ হওয়ার সম্ভাবনা সেখানে গাছ, আর যেখানে ঘাস হওয়ার সম্ভাবনা সেখানে ঘাস লাগাতে হবে। বনাঞ্চল ও তৃণভূমি রক্ষার জন্য আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে এবং আগুন বা পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে সবুজ প্রকৃতিকে রক্ষার নির্দেশনাও দেন তিনি।

সবশেষে তিনি প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি বনজ শিল্পের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মুনাফাও নিশ্চিত হয়। তিনি বলেন, শহর ও গ্রামের সবুজায়ন এমনভাবে করতে হবে যেন সাধারণ মানুষ তাদের হাতের কাছেই সবুজের ছোঁয়া পায় এবং প্রকৃতির এই উন্নয়নের সুফল সরাসরি ভোগ করতে পারে।

সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD