রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির পর ইউক্রেনে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে একটি বহুজাতিক ‘রিঅ্যাসিওরেন্স ফোর্স’ গঠনের উদ্যোগ সামনে এসেছে। তুরস্ক বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে, প্রয়োজন হলে তারা এই শান্তিরক্ষা বাহিনীতে অংশ নিতে প্রস্তুত।
আঙ্কারা থেকে ফরাসি সংবাদমাধ্যম এএফপি জানায়, তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে— দেশের সশস্ত্র বাহিনী ইউক্রেনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক যেকোনো উদ্যোগে অবদান রাখতে প্রস্তুত। মন্ত্রণালয় বলেছে, এ ধরনের বাহিনী মোতায়েনের আগে প্রথমেই রাশিয়া–ইউক্রেনের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা জরুরি। এরপরই নির্ধারিত হবে মিশনের কাঠামো, লক্ষ্য এবং প্রত্যেক দেশের ভূমিকা।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ গত মঙ্গলবার একটি নতুন যৌথ টাস্ক ফোর্সের ঘোষণা দেন, যার উদ্দেশ্য— যুদ্ধবিরতির পর ‘প্রতিরক্ষার দ্বিতীয় ধাপ’ হিসেবে এই রিঅ্যাসিওরেন্স ফোর্সের রূপরেখা তৈরি করা। তিনি বলেন, তুরস্কের ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততায় ফ্রান্স ও গ্রেট ব্রিটেন এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেবে, এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণও থাকবে— যা এই ধরনের উদ্যোগে প্রথম।
ন্যাটোতে দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী থাকা তুরস্ক এর আগেও জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ইউক্রেনে শান্তিরক্ষী মিশনের অংশ হিসেবে তাদের সেনা পাঠাতে তারা প্রস্তুত।
রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তাবিষয়ক এই নতুন উদ্যোগ কতদূর এগোয় তা নিয়ে এখন বৈশ্বিক কূটনীতির নজর।
সূত্র: এএফপি