এর আগের দিন, শুক্রবার, রাশিয়ার ব্যাপক হামলায় কিয়েভের অন্তত ছয়জন নিহত এবং তিন ডজনের মতো মানুষ আহত হয়। বসতবাড়ি, নাগরিক স্থাপনা ও বিভিন্ন অবকাঠামোয় হামলার ঘটনায় ইউক্রেন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই হামলাকে “পাল্টা আক্রমণ” হিসেবে অভিহিত করে জানান, রাশিয়া ব্যালিস্টিক ও অ্যারোব্যালিস্টিক মিসাইলসহ প্রায় ৪৩০টি ড্রোন এবং ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।
রিয়াঝান শোধনাগারে ইউক্রেনের এই পাল্টা আঘাত নতুন করে ইঙ্গিত দিচ্ছে—শীতের আগে দুই দেশের মধ্যকার জ্বালানি-ভিত্তিক অবকাঠামোতে হামলা-পাল্টা হামলা আরও তীব্র হতে পারে। প্রায় চার বছর ধরে চলমান যুদ্ধে উভয় দেশই শক্তি অবকাঠামোকে কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করছে।
সম্প্রতি ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ সংস্থা ইউক্রেনএনারগো জানিয়েছে, রাশিয়ার সাম্প্রতিক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামতে সময় লাগবে বলে বিভিন্ন অঞ্চলে লোডশেডিং বা নিয়ন্ত্রিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট চালু করা হয়েছে।
সূত্র: আলজাজিরা, গার্ডিয়ান।