শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে চীন-মার্কিন প্রতিরক্ষা সংলাপ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫

৩১ অক্টোবর মালয়েশিয়ায়, ১২তম আসিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের বর্ধিত সভার অবকাশে, চীনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী তং চুন এবং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে তং চুন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ায় দু’দেশের নেতাদের সফল বৈঠক পরবর্তী পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়নের জন্য কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। দু’দেশ অবশ্যই পারস্পরিক সাফল্য ও অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।

তিনি বলেন, উভয় দেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের উচিত নেতৃবৃন্দের আলোচনায় অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া, উচ্চ-স্তরের কৌশলগত যোগাযোগে একটি প্রদর্শনমূলক ও নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা পালন করা, আস্থা তৈরি ও সন্দেহ দূর করার জন্য নীতি-স্তরের যোগাযোগ জোরদার করা, ফ্রন্টলাইন অফিসার ও সৈন্যদের মধ্যে ইতিবাচক মিথস্ক্রিয়া সম্প্রসারিত করা, এবং দুটি সামরিক বাহিনীর সহাবস্থানের সঠিক উপায় অন্বেষণে সহায়তা প্রদান করা। সমতা, শ্রদ্ধা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক সহায়তার ওপর ভিত্তি করে, দুটি সামরিক বাহিনীর মধ্যে একটি স্থিতিশীল ও ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব।

তং চুন জোর দিয়ে বলেন, তাইওয়ান প্রণালীর দুই পাশের পুনর্মিলন একটি অপ্রতিরোধ্য ঐতিহাসিক প্রবণতা। তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কথা ও কর্মকাণ্ডে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত এবং তথাকথিত ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’-র দ্ব্যর্থহীন বিরোধিতা করা উচিত। চীন জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ দৃঢ়ভাবে রক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের চেষ্টা করে যাবে। আশা করা যায়, যুক্তরাষ্ট্র চীনকে আটকে না-রাখার এবং সংঘাত না-চাওয়ার তার বিবৃতিকে কর্মে রূপান্তরিত করবে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তায় ইতিবাচক শক্তি সঞ্চার করার জন্য চীনের সাথে কাজ করবে। এ সময় তাঁরা অন্যান্য বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেন।

সূত্র: ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD