শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

পরিবেশবান্ধব বিমান প্রযুক্তিতে চীনের বৈপ্লবিক পদক্ষেপ

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

গত (বৃহস্পতিবার) শুরু হওয়া ৭ম চীন থিয়ানচিন আন্তর্জাতিক হেলিকপ্টার মেলায় চীনের সাধারণ বিমান চলাচল ও নিম্ন-উচ্চতার অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তি, পণ্য ও সাফল্য প্রদর্শিত হচ্ছে। মেলায় স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধরণের হেলিকপ্টার ও ড্রোনও। বিভিন্ন ধরণের হেলিকপ্টার দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

জে-৮এল পরিবহন হেলিকপ্টারটি মূল জে-৮ সিরিজের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি যাত্রী ও পণ্যসম্ভার বহনে সক্ষম, যা সম্পূর্ণভাবে দেশীয়ভাবে উত্পাদিত। এটি সব ধরনের যানবাহন ও সরঞ্জাম পরিবহনে সক্ষম। জি-৮ সিরিজ, জে-২০জে পরিবহন হেলিকপ্টার, ও জে-১৮ সিরিজের হেলিকপ্টারের সাথে, একটি বড় পরিসরে পরিবহন বহর গঠন করে, যা জটিল মিশন সম্পাদনে সক্ষম। এটি মালামাল ও কর্মী পরিবহনের জন্য একটি দক্ষ ও ব্যাপক ব্যবস্থা। এটি জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি প্রদান করে।
একটি শক্তিশালী উদ্ধার সরঞ্জাম হিসেবে, এসি সিরিজের বেসামরিক হেলিকপ্টার অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জরুরি উদ্ধার ও অন্যান্য জনসেবাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বুথে বেশ কয়েকটি মডেল স্থান পায়: ৪-টন এসি৩৩২ বেসামরিক হেলিকপ্টার, ৭-টন এসি৩৫২ বেসামরিক হেলিকপ্টার এবং ১৩-টন এসি৩১৩এ বেসামরিক হেলিকপ্টার। চীনের বিমান পরিবহন শিল্প কর্পোরেশনের সরঞ্জাম ব্যবস্থা বিভাগের উপ-পরিচালক চাও লেই বলেন, চীনের বড়, ভারী-লোড বহনে সক্ষম পরিবহন হেলিকপ্টার বড় ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

‘চীনা বেসামরিক হেলিকপ্টার বাজার পূর্বাভাস বার্ষিক প্রতিবেদন (২০২৫-২০৩৪)’ অনুসারে, ২০২৯ সালের মধ্যে চীনের বেসামরিক হেলিকপ্টার বহরে হেলিকপ্টারের সংখ্যা ১৭০০ ছাড়িয়ে যাবে, যার উড্ডয়ন-ঘন্টা হবে ৩ লাখ। পরবর্তী দশকে চীনের বেসামরিক হেলিকপ্টার উড্ডয়নের সময় সাধারণত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখাবে।
একটি বিমানের ‘হৃদয়’ হিসেবে বিমানের ইঞ্জিনকে আধুনিক শিল্পের ‘মুকুট রত্ন’ এবং একটি জাতির বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত শক্তির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হয়। এটি উদ্ভাবনী ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন হিসাবে সমাদৃত।

এদিকে চীনা বিজ্ঞানীরা সবুজ ও নিম্ন কার্বন উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। চীনের মহাকাশ বিশেষজ্ঞ লি তাও বলেন, মেগাওয়াট-শ্রেণীর বিমান চলাচলের হাইব্রিড বিদ্যুত ব্যবস্থা বৈদ্যুতিক শক্তির আকারে শক্তি উত্পাদন করে। এর উচ্চ শক্তি ঘনত্ব, উচ্চ নিরাপত্তা ও কম নির্গমনের বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতি ও সাধারণ বিমান চলাচল বাজারে এর বিস্তৃত প্রয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে।

এবারের মেলায় ৫০০০ বর্গমিটারের একটি নিম্ন-উচ্চতা অর্থনীতির প্যাভিলিয়নও রয়েছে। ধারাবাহিক নকশা, প্রযুক্তি ও ভবিষ্যতমুখী অনুভূতি ধারণ করে, নতুন বিমান নিম্ন-উচ্চতা অর্থনীতির অসীম সম্ভাবনা প্রদর্শন করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিপ্লব এবং শিল্প রূপান্তরের নতুন রাউন্ডে, নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র এবং ভবিষ্যতে নতুন উন্নয়নে অতিরিক্ত গতি ও নতুন প্রতিযোগিতামূলক সাফল্য অর্জনের জন্য, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রও বটে।

সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD