শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

মাতৃভূমির মহিমা অনুভব করেছি : বললেন ১৭ বছরের মু ইয়া সাই আর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

১লা অক্টোবর, চীনের বেইজিংয়ের থিয়েন আন মেন স্কোয়ারে বিরাট জাতীয় পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনেকে নানা স্থান থেকে তা দেখতে আসেন। তাঁদের মধ্যে সিনচিয়াংয়ের আকসু থেকে আসা এক মেয়ে ও তাঁর মা-কেও দেখা যায়।

তাঁরা সিনচিয়াং থেকে রওনা হয়ে ৮০ দিনেরও বেশি সময় পর, অবশেষে বেইজিংয়ে পৌঁছে জাতীয় দিবসের এই তাৎপর্যপূর্ণ পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

মু ইয়া সাই আর হচ্ছেন সিনচিয়াংয়ের উ সি কাউন্টির হাই স্কুলের ছাত্রী। তিনি বলেন, “একজন চীনা হিসেবে এই মহান পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পেরে আমি খুবই রোমাঞ্চিত ও গর্বিত। আমার মা আমার ইচ্ছাশক্তি উন্নত করতে চান, আর থিয়েন আন মেন-এ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দেখাও আমার স্বপ্ন। এজন্য আমরা সাইকেল চালিয়ে এসেছি।”

তিনি জানান, এবারই তাদের প্রথম বেইজিং আসা। সিনচিয়াং থেকে তাদের এই যাত্রাপথে দেশের অনেক সুন্দর ও বিশাল দৃশ্য দেখার পাশাপাশি, তাঁরা অনেক মানুষের সাহায্যও পেয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমাদের সাইকেলের টায়ার নষ্ট হয়েছিল। কোনো উপায় না দেখে, অন্যদের সাহায্য চাওয়ার জন্য আমরা ইন্টারনেটে একটি ভিডিও প্রকাশ করি। সিনচিয়াংয়ের একজন চাচা তার ট্রাক চালিয়ে এসেছেন। তিনি আমাদের এবং আমাদের বাইক পরিবহন করে একটি বাইক মেরামত দোকানে পৌঁছে দিয়েছেন।”

৮০ দিনেরও বেশি সময়ের বাইসাইকেল ভ্রমণের পর, ২৮ সেপ্টেম্বর, তাঁরা অবশেষে বেইজিংয়ে পৌঁছান।

তিনি বলেন, “এই পথে মাতৃভূমির সমৃদ্ধি ও মহিমা অনুভব করতে পেরেছি।”

অবশেষে জাতীয় দিবস আসতেই, ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তিনি ও তাঁর মা থিয়েন আন মেন স্কোয়ারে এসে পতাকা উত্তোলনের সেই শুভ মুহূর্তটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

তিনি বলেন, আমি অনেক সুখী বোধ করছি। আশা করি আমাদের মাতৃভূমি আরও সমৃদ্ধ হবে।

সূত্র:আকাশ-তৌহিদ-ফেইফেই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD