শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

এল-ফাশেরে আশ্রয়কেন্দ্রে ড্রোন হামলা : ৬০ জনের বেশি নিহত

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫

সুদানের উত্তর দারফুর অঞ্চলের রাজধানী এল-ফাশেরে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ৬০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলাটি চালিয়েছে বিদ্রোহী আধাসামরিক বাহিনী র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু ও প্রবীণও রয়েছেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি-র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শনিবার স্থানীয় একটি ত্রাণ কমিটি এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করে। কমিটি হামলার জন্য সরাসরি আরএসএফ বাহিনীকে দায়ী করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এল-ফাশেরের দার আল-আরকাম আশ্রয়কেন্দ্রে দুটি ড্রোন ও একাধিক অগ্নিবোমা নিক্ষেপ করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো আশ্রয়কেন্দ্র জ্বলতে শুরু করে, আর মানবিক বিপর্যয়ের এক ভয়াবহ দৃশ্য সৃষ্টি হয়।
কমিটির ভাষায়, “দার আল-আরকাম স্কুলে ড্রোন হামলার পর নিহতদের দেহ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে—যে দৃশ্য বর্ণনাতীত।”

এখনও পর্যন্ত আরএসএফ পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য জানানো হয়নি। তবে স্থানীয় প্রতিরোধ কমিটি জানিয়েছে, অনেকের মরদেহ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে, এবং কিছু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রের ভেতরেই পুড়ে মারা গেছেন।

সুদানের চিকিৎসক সংগঠন ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৭ শিশু ও ২২ নারী রয়েছেন। আরও ২১ জন আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

২০২৪ সালের মে মাস থেকে আরএসএফ বাহিনী এল-ফাশেরে নগরী অবরোধ করে রেখেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বারবার এই অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানালেও তা কার্যকর হয়নি। মানবিক ত্রাণের অন্যতম কেন্দ্র হওয়ায় শহরটির এই অবরোধে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানি সেনাবাহিনী ও র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের সংঘাতে এ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় দেড় কোটি মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক যৌথ গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে, প্রকৃত মৃত্যুসংখ্যা হতে পারে এক লাখ ত্রিশ হাজারেরও বেশি।

ত্রাণ কমিটি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, “যারা নিরাপত্তার আশ্রয় খুঁজতে এসেছিলেন, তারা আজ সেই আশ্রয়েই জ্বলন্ত মৃত্যুর মুখে পড়েছেন।”

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD