শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

তরুণদের বিক্ষোভে মাদাগাস্কারে সরকার ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মাদাগাস্কারে দীর্ঘদিনের পানি ও বিদ্যুৎ সংকটকে ঘিরে তরুণ প্রজন্মের প্রবল আন্দোলনের মুখে অবশেষে সরকার ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড্রি রাজোয়েলিনা। সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান।

ভাষণে রাজোয়েলিনা বলেন, “আমরা স্বীকার করছি সরকারের সদস্যরা প্রত্যাশিত দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছেন, এ জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।” তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীসহ পুরো মন্ত্রিসভার দায়িত্ব ‘বাতিল’ করা হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানী আন্টানানারিবোতে শুরু হওয়া বিক্ষোভ অল্প সময়েই দেশের আটটি শহরে ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় নামা হাজারো তরুণ শ্লোগান দেয়—“আমরা বাঁচতে চাই, শুধু টিকে থাকতে নয়।”

এই আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর শক্তি প্রয়োগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক। জাতিসংঘের তথ্যমতে, সংঘর্ষে অন্তত ২২ জন নিহত এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে বিক্ষোভকারীর পাশাপাশি সাধারণ পথচারীরাও রয়েছেন। তবে মাদাগাস্কারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই পরিসংখ্যান অস্বীকার করে বলেছে, তা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি।

সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় রাজধানী আন্টানানারিবোতে রাত থেকে ভোর পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী গ্রেপ্তার, নির্যাতন এবং সরাসরি গুলি চালানোর মতো ঘটনাও ঘটিয়েছে।

প্রথমদিকে প্রেসিডেন্ট রাজোয়েলিনা কেবল জ্বালানি মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেই সংকট সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্টসহ সমগ্র সরকারের পদত্যাগের দাবি তোলে। তাতে আন্দোলনের তীব্রতা আরও বেড়ে যায়।

সোমবারের ভাষণে প্রেসিডেন্ট জনগণের ক্ষোভ, দুঃখ ও কষ্ট উপলব্ধি করার কথা জানান। তিনি তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেন। তবে বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছে, আন্দোলন দুর্বল করতে ভাড়া করা গুন্ডারা সরকারি ভবনে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD