ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান ও এক্সপিডিয়েন্সি ডিসকার্নমেন্ট কাউন্সিলের সদস্য মোহসেন রেজাই সতর্ক করে বলেছেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও ইরাকসহ আঞ্চলিক দেশগুলো ইসরায়েলি আগ্রাসনের হুমকির মুখে রয়েছে।
শনিবার এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, এই দেশগুলো যদি ফিলিস্তিনি গণহত্যা ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক জোট গঠন করতে ব্যর্থ হয়, তবে তারাও শিগগিরই ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ও বোমা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে। তিনি আরও বলেন, দোহায় অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন ইসলামিক-আরব শীর্ষ সম্মেলনে এ ইস্যুটি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।
রেজাই মন্তব্য করেন, “যদি শীর্ষ সম্মেলন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে সৌদি আরব, তুরস্ক ও ইরাকের সরকারকেও বোমা হামলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এর আগে একের পর এক দেশকে টার্গেট করার আগেই প্রতিরোধে একটি সামরিক জোট গঠন জরুরি।”
তার এ বক্তব্য আসে ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ-এর একটি নিবন্ধ প্রকাশের পর, যেখানে সতর্ক করা হয়েছিল কাতারের পর ইসরায়েল তুরস্কের বিরুদ্ধেও সামরিক অভিযান চালাতে পারে। নিবন্ধে বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়, আঙ্কারার সঙ্গে যেকোনো সংঘাত দোহার ওপর হামলার চেয়ে বহুগুণ বিপজ্জনক হবে।
অন্যদিকে, টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, তেল আবিব পূর্বে ন্যাটোর কারণে তুরস্কে অভিযান স্থগিত করেছিল এবং এর পরিবর্তে কাতারকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নেয়।
ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিও রেজাইয়ের সঙ্গে সুর মেলান। তিনি মুসলিম দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি উন্মাদনা বন্ধ করতে হলে যৌথ সামরিক সদর দফতর গঠন অপরিহার্য।”
সূত্র: প্রেস টিভি।