শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

আইভরি কোস্টে প্রেসিডেন্ট পদে লড়বেন সাবেক ফার্স্ট লেডি সিমিওনি বাগবো

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্টে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাবেক ফার্স্ট লেডি সিমিওনি বাগবো। ৭৬ বছর বয়সী এই নারী নেত্রী দেশজুড়ে পরিচিত ‘লৌহমানবী’ নামে। রাজনৈতিক জীবনের নানা নাটকীয়তার পর তিনি এবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আলাসানে উয়াতারার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৫ অক্টোবর।

২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন তাঁর সাবেক স্বামী লরেন বাগবো। সেই সময় থেকেই কঠোর ব্যক্তিত্বের কারণে সিমিওনি ‘আয়রন লেডি’ খ্যাতি পান। সমর্থকেরা তাঁকে মমতাময়ী ভাবলেও বিরোধীদের চোখে তিনি ছিলেন ভয়ংকর কর্তৃত্বের প্রতীক।

শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা সিমিওনি ছিলেন শ্রমিক আন্দোলনের কর্মী। আন্দোলনের সূত্রেই লরেনের সঙ্গে পরিচয় এবং পরবর্তী সময়ে ১৯৮২ সালে দুজন মিলে গড়ে তোলেন আইভরিয়ান পপুলার ফ্রন্ট (এফপিআই)। লরেন ক্ষমতায় এলে সিমিওনি হয়ে ওঠেন রাষ্ট্রক্ষমতার অদৃশ্য নিয়ন্ত্রক। বিদ্রোহ দমন, নির্বাচনী জালিয়াতি ও বিরোধী দমনে তাঁর ভূমিকা ছিল স্পষ্ট।

২০১০ সালের নির্বাচনে লরেন পরাজিত হলেও ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে, প্রাণ হারায় তিন হাজার মানুষ। সেই সময় প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের বাংকারে আশ্রয় নিয়েছিলেন সিমিওনি ও লরেন, সেখান থেকেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সিমিওনি ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেও ২০১৩ সালে সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পান।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ উঠলেও সিমিওনি মুক্তি পান অভিযোগ থেকে। অন্যদিকে লরেনকে হেগে সাত বছর কারাভোগ করতে হয়। দেশে ফিরে এসে ২০২১ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

এরপর সিমিওনি নতুন দল মুভমেন্ট অব ক্যাপাবল জেনারেশনস (এমজিসি) প্রতিষ্ঠা করেন। সেখান থেকেই এবার তিনি প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন। লরেন আইনি কারণে প্রার্থী হতে না পারায় তাঁর সমর্থকদের বড় অংশ সিমিওনিকে ভোট দিতে পারেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। জয়ী হলে তিনি হবেন আইভরি কোস্টের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট।

সূত্র: বিবিসি।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD