বাংলাদেশে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানী ঢাকার কাফরুল এলাকায় আতিকুল ইসলাম হত্যা এবং মোহাম্মদপুর এলাকায় মো. সোহেল রানাকে হত্যাচেষ্টা মামলায় দেশটির সাবেক দুই মন্ত্রী ও এক উপদেষ্টাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
২ জুলাই বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
আসামীরা হলেন- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং ছাত্রলীগ নেতা রাজা বাদশা ওরফে পিচ্চি রাজা।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল হক দিদার গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে এদিন সকালে কারাগার থেকে এই পাঁচজনকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল সোয়া ১০টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তাদের আদালতের এজলাসে তোলার কিছুক্ষণ পর বিচারক এসে শুনানি গ্রহণ শুরু করেন।
শুনানি শেষে ১০টা ২০ মিনিটের দিকে তাদের আবার সিএমএম আদালতের হাজতখানায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
আদালত পুলিশের নথি থেকে জানা যায়, মোহাম্মদপুর থানায় সোহেল রানা নামের এক ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার মামলায় আনিসুল হক, দীপু মনি, সালমান এফ রহমান, ও রাজা বাদশাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গণঅভ্যুত্থানের সময় ৫ আগস্ট মোহাম্মদপুরের তিন রাস্তার মোড় এলাকায় ভুক্তভোগী সোহেল রানা গুলিতে আহত হন। এ ঘটনায় পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে ২২২ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলাটি দায়ের করা হয়।
অন্যদিকে, কাফরুল থানায় মো. আতিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলমকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আল মামুন।
এই মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই বিকালে রাজধানীর কাফরুল থানাধীন বিআরটিএ অফিসের পেছনের রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন আতিকুল ইসলাম। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গত ২৩ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী আহসান হাবীব বাদী হয়ে কাফরুল থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।