রামিম হাসান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের মহেশপুরে একটি মন্দির কমিটির বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীরা সাথে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মহেশপুর
উপজেলার বাগান মাঠ গ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে খামার ব্যবসায়ী
আল-আমিন প্রতিকার চেয়ে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময়
ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তিনি একজন খামার ব্যবসায়ী। তিনি
জানতে পারেন মহেশপুর পৌর এলাকার রাধাবল-ভ মন্দির কমিটি মন্দিরের
কিছু চাষযোগ্য জমি বিক্রি করবেন। এমন সংবাদে মন্দির কমিটির
সাথে কথা বলে ৭ শতক জমি ২৬ লাখ টাকায় ক্রয়ের সিন্ধান্ত গ্রহণ করেন।
২০১৭ সালের ২৬ নভেম্বর ওই মন্দির কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ গাঙ্গুলী
ও সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কুমারের অনুমতি ক্রমে সহ-সভাপতি পরিমল
কুমারের হাতে ২ লাখ টাকা দিয়ে বায়না নামা করেন। পরবর্তীতে ২৮
ডিসেম্বর জমি রেজিস্ট্রি করার দিন সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। ব্যবসায়ী
আলামিন বাকি টাকা জোগাড় করতে নিজের খামারের ১২ টি গরু, ৫
ভরি স্বর্ণের গহনা, একটি মোটর সাইকেল কম দামে বিক্রি করে। টাকা
জোগাড় করে জমি রেজিষ্ট্রি করার কথা বললে মন্দির কমিটি তালবাহানা
শুরু করেন। ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও আজও মন্দির কমিটি তার জমি
রেজিস্ট্রি করে দেন নি। এমনকি টাকা ফেরত নিতে বিভিন্ন মহল দিয়ে
চাপ দিচ্ছেন। আল-আমিন অভিযোগ করেন, জমি বায়না করার পর
মশেপুরের কিছু প্রভাবশালী মহল বেশি টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করতে
চাচ্ছেন বলে মন্দির কমিটি তার জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না।
এদিকে জমি পেতে আল-আমিন আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়টি
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আল-
আমিন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি পরিমল কুমার বলেন,
আমি ওই সময় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি ক্রমে বায়না
করেছিলাম। জমি রেজিষ্ট্রি করার সময় পৌর মেয়র রশিদ খান বাঁধা দেন।
তিনি বলেন ম্যাপ না হওয়া পর্যন্ত জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া যাবে না। এ
কারণে সেই সময় জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া যায় নি। পরিমল কুমার আরও
বলেন, মন্দিরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আমার কথা শুনছেন না। আমার
কিছু করার নেই।