কখনো যদি কবি হতে পারি
দেখিস তোর জন্য একটা কবিতা লিখবো।
বলতো! কবিতার কি নাম দেয়া যায়
কি নাম দিলে তুই খুশি হবি?
না হয় তুই একটা নাম দিয়ে দে
তোর মনের মত
তোর হৃদয়ের অন্তরাল থেকে
যতটুকু ভালোবাসিস আমায়।
আমার কবিতা পড়ে সবাই শুনতে পাবে তোর চুড়ির ঝনঝনে শব্দ।
কেমন তোর চোখ দুটো পটল চেরা।
লাউয়ের ডগার মত তোর শরীর
আমাবস্যার রাতের কালো তোর চুলে কেমন এলিয়ে পড়ে।
দেখিস পাঠকেরা তোর ছবি কল্পনাতে আঁকবে
তারপর ও তুলতুলে গালে একটু আদর করবে
তোর প্রেমে পড়বে।
কবিতার মাঝে থাকবে
কিছু ভালোলাগারা,
যা প্রতিটা পূর্ণিমার রাতে
নতুন করে ভালোবাসতে শেখাবে
পাঠকের হৃদয়ে তখন খুঁজে পাবে নতুন কোন আবেশ।
তোর দু’পায়ে নুপুরের
রুনুঝুনু শব্দে হয়তো পাগল হবে কেউ!
পাগল আমিও হয়তো হবো,
হৃদয়ের তখন বাঁজবে
পাগল করা প্রেম ঝংকার।
তোর কোমরের বিছায়
যেন জাদু আছে,
যার আঁকাবাকা দোলায়
যেন মনে কাঁপন ধরে।
তোর কাজল কালো চোখের পলকে যে মায়া
সে মায়ার অতল তলে হারিয়ে যাবে কোন নাবিক
যার হয়তো কোন কুল পাবে না খুঁজে।
সত্যি বলতে যদি কখনও
কবি হতে পারি,
দেখেনিস তোর জন্য একটা কবিতা লিখবো।
শুধু বলে দিস
কি নাম দিলে তুই খুশি হবি।
২য় পর্ব
তুমি তো লিখেই ফেললে,,
আমাকে নিয়ে কবিতা!
আর নাম? সেটা না হয় তুমিই দিও।
তবে একটা কথা,
আমি চাইনা আমার ছবি পাঠকেরা আঁকুক,
আমি চাই আমার সব ভাললাগা ভালবাসা
তোমার কাছেই থাকুন।
তুমি ছাড়া চাইনা আর কোন হৃদয়ে ঠাঁই
আর কোন হৃদয়ের বন্দরে ভীড়াতে চাইনা অবলার নাও।
আমার নূপুরের রুনুঝুনু শব্দ
তোমার প্রেম দরিয়ায় ঢেউ তোলবার জন্য।
আর, কী যেন বললে?
” সবাই আমার প্রেমে পরবে”?
আচ্ছা ধরো, যদি তাই হয়,
তখন তুমি কী করবে?
তুমি তখন সহ্য করতে পারবে তো?
মনে হয়না পারবে,
তখন, তোমার রাগ হবে অভিমান হবে,
কারনে অকারনে আমাকে রাগাবে।
আমি তা চাইনা।
আমি চাই শুধু তোমার ভালবাসা
তুমিই শুধু থাকবে আমার,
ঠিক তেমনি আমি ও থাকবো তোমার।
গ্রন্থনায়: মুশফিক রহিম, সাইফা আক্তার ও মলি ইসলাম