শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

৭ মাসে ট্রাম্প প্রশাসনে ১ লাখ ৪৫ হাজার অভিবাসী বহিষ্কার

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

গত সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৪১৯ অবৈধ অভিবাসীকে বহিষ্কার করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্যে শুধু জুন মাসেই বহিষ্কৃত হয়েছে সর্বাধিক ২৭ হাজার ৯৭০ জন। এ সময়ের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আরও ৪ হাজার ২৪১ জন স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) ৪ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এটিই প্রথম সরকারি পরিসংখ্যান যেখানে দেশভিত্তিক বহিষ্কারের বিস্তারিত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মন্ত্রী ক্রিস্টি নয়েম জানিয়েছেন, অবৈধভাবে বসবাসকারীদের গ্রেফতার ও বহিষ্কারে ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদ আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তবে এতদিন মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের আমলে আইসের ওয়েবসাইটে নিয়মিত মাসিক তথ্য প্রকাশ করা হতো। সেই হিসেবে, বাইডেনের আমলে গত বছরের জুলাই মাসে বহিষ্কার হয়েছিল ২৫ হাজার জন; আর চলতি বছরের জুলাইয়ে বহিষ্কৃত হয়েছে ২৩ হাজার ২৫০ জন।

এ প্রসঙ্গে লিবারটেরিয়ান ক্যাটো ইনস্টিটিউটের অভিবাসন বিষয়ক পরিচালক ডেভিড বাইয়ার মন্তব্য করেছেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছরের প্রথম আট মাসে বহিষ্কারের সংখ্যা কোনোভাবেই বেশি নয়।” তাঁর মতে, গ্রেফতারের ভয়ে অনেকে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় স্থানীয় পুলিশ অপরাধী চক্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থ হচ্ছে।

তবে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অভিবাসীদের বহিষ্কারই তাদের মূল লক্ষ্য এবং সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যই এ পদক্ষেপ জোরদার করা হয়েছে। ক্রিস্টি নয়েমের মতে, বহিষ্কার কার্যক্রম ত্বরান্বিত হওয়ায় মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অনুপ্রবেশের প্রবণতা প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

©germanbanglanews24
Developer Design Host BD