রাশিয়ার সেনাপ্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ জানিয়েছেন, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে পূর্ব ইউক্রেনের ১২টি গুরুত্বপূর্ণ বসতি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে এসেছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মস্কোর সেনা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ তথ্য জানান।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শীতকালীন কঠিন পরিস্থিতিতেও যৌথ বাহিনী এবং টাস্ক ফোর্সের ইউনিটগুলো এই পদক্ষেপ সম্পন্ন করেছে। তবে সংবাদমাধ্যম এএফপি স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।
গেরাসিমভ জানান, মস্কোর সেনারা স্লোভিয়ানস্কের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এই শহরটি ২০১৪ সালে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাতে পড়েছিল এবং পরবর্তীতে ঘন ঘন রাশিয়ার আক্রমণের শিকার হয়েছে। সেনারা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
মস্কো দোনেৎস্ক, লুগানস্ক, জাপোরিঝিয়া এবং খেরসন অঞ্চলকে নিজেদের বলে দাবি করছে। তবে অন্যান্য ইউক্রেনীয় অঞ্চলেও রাশিয়ার অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গেরাসিমভ আরও জানিয়েছেন, তারা উত্তর-পূর্বের সুমি ও খারকিভ অঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা অঞ্চল সম্প্রসারণ করছে।
তিনি বলেন, দিনিপ্রোপেট্রোভস্কের দিকে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও ক্রেমলিন এখনও এই অঞ্চলের ওপর আনুষ্ঠানিক দাবি করেনি।
রিপোর্ট–২
শিরোনাম ১:
‘রাশিয়ার পূর্ব ইউক্রেন অভিযানে অগ্রগতি, ১২ গ্রাম দখল’
রুশ সেনাপ্রধান ভ্যালেরি গেরাসিমভ জানান, চলতি মাসে রাশিয়ার যৌথ বাহিনী এবং টাস্ক ফোর্স পূর্ব ইউক্রেনে ১২টি বসতি দখল করেছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) মস্কোর সেনা কার্যক্রম পরিদর্শনে এই তথ্য তিনি জানান।
মস্কোর দাবি অনুযায়ী, চার বছরের যুদ্ধে দোনেৎস্ক অঞ্চল দখলের লক্ষ্যে অগ্রগতি অব্যাহত আছে। তবে এএফপি স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। গেরাসিমভের নেতৃত্বে সেনারা স্লোভিয়ানস্কের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যা ২০১৪ সালে সংক্ষিপ্ত সময় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দখলে ছিল এবং পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার হামলার লক্ষ্য হয়ে এসেছে।
রাশিয়ার নেতা ভ্লাদিমির পুতিন বারবার বলেছেন, কূটনীতি ব্যর্থ হলে মস্কো বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দোনেৎস্ক সম্পূর্ণ দখল করতে চাইবে। বর্তমানে তারা সুমি ও খারকিভের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা অঞ্চল সম্প্রসারণ করছে। গেরাসিমভ আরও জানিয়েছেন, দিনিপ্রোপেট্রোভস্কে পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
মস্কো দোনেৎস্ক, লুগানস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করছে। তবে রাশিয়ার আক্রমণ অন্যান্য ইউক্রেনীয় অঞ্চলেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে, বিশেষ করে পশ্চিম দিকের অভিযান চলাকালীন।