শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

রপ্তানি হচ্ছে সাতক্ষীরার মধু

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারী, ২০১৯

মোস্তাক আহমেদ, কলারোয়া : সাতক্ষীরায় সরিষা ফুলের মধু আহরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৌয়ালরা। চলতি বছর জেলা থেকে প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় দশ কোটি টাকা। আর এসব উৎপাদিত মধু জাপান, ভারত, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনসহ দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ন অবদান  রাখতে পারবে এমনটি ধারনা সংশ্লিষ্ঠ মধু উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কর্মকর্তাদের।

তাদের দাবি, সরিষা খেত থেকে মধু আহরণের ফলে একদিকে মৌয়ালরা আথিক ভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে। অপরদিকে সরিষার ফুল থেকে মধু আহরনের সময় মৌমাছির পরাগায়নে কারনে জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পরিমান ফলন পাচ্ছে প্রান্তিক চাষিরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, জেলায় চলতি মৌসুমে ৯ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। এছাড়া জেলার মাটি ও আবহাওয়া সরিষা চাষের জন্য উপযোগি হওয়ায় ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। আর এসব সরিষা খেতের পাশে বাক্স পদ্ধতিতে সরিষা ফুলের মধু আহরণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
কলারোয়ার মধু খামার মালিক কামাল হোসেন জানান, সাতক্ষীরার শতাধিক মধু উৎপাদনকারী খামারী এ বছর জেলার বিভিন্ন এলাকায় সরিষা ফুলের মধু আহরণের কাজ করছেন। প্রতিবছর ১৫ নভেম্বর থেকে ১৫ জানুয়ারী পর্যন্ত সরিষা ফুলের মধু আহরণ করে খামারীরা। তিনি বলেন, জেলায় চলতি বছর সরিষা মৌসুমে সরিষা ফুল থেকে ৫০০ মেট্রিক টন মধু আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। আর উৎপাদিত এসব মধু জাপান, ভারত, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়ে থাকে। তিনি বলেন, মধু খামারীদেরকে সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়া হলে এই র্গামেন্টস বা চিংড়ি শিল্পের চেয়ে মধু রপ্তানি করে বেশি পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।
কলারোয়া উপজেলার মধু খামারী নুর আমীন বলেন, জেলায় প্রায় দেড় হাজার মধু খামারী রয়েছে। যারা সারা বছরই দেশের বিভিন্ন স্হানে মধু আহরণ করে থাকে।

প্রতিবছর নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে সরিষা ফুলের মধু আহরণ শুরু করে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত চলে। এছাড়া সরিষা ফুলের মধু আহরণ শেষ হলেই শুরু হয় দুই মাস ব্যাপী জিরা ও ধনিয়া ফুল থেকে মধু আহরণের মৌসুম। পরে এপ্রিল মাস থেকে শুরু হয় সুন্দরবন থেকে মধু আহরণ মৌসুম অর্থাৎ সারা বছর ধরেই মধু আহরণ কার্যক্রম চলে। তিনি দাবি করে বলেন, সরকার মধুচাষিদের সহজ শর্তে ঋণ সুবিধার ব্যবস্হা করলে দেশের রপ্তানিখাতে মধু গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখতে পারবে। আবার একইসাথে সাধারণ মানুষের আত্মকর্মসংস্হানের সৃস্টি হবে।

কলারোয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: মোহাসীন আলী জানান, সরিষার ফুল থেকে যখন মৌমাছি মধু আহরনের সময় পরাগায়নের সৃষ্টি হয়। ফলে সরিষার ফলন ২৫ থেকে ৩০ ভাগ বেশি বৃদ্ধি পায়। সরিষা চাষিদের মধ্যে আগে এসব বিষয় নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা থাকলেও বর্তমানে সেই ধারণা পাল্টে গেছে। তিনি বলেন, কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা প্রান্তিক কৃষকদের এসব বিষয়ে সার্বিক পরামর্শ প্রদান করছেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD