আগামী ৫ আগস্ট বিকেল ৫টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ করা হবে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’। দিনব্যাপী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক এই ঘোষণাপত্র উন্মোচনের মধ্য দিয়ে উদ্যাপিত হবে ‘৩৬ জুলাই’ স্মরণে বিশেষ দিবসটি।
রবিবার প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে প্রকাশিত এক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়, গত বছরের ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) দিনটি ছিল এক অভাবনীয় গণ-জাগরণ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসগড়া মুহূর্ত। ওই দিন সারাদেশের জনতা রাজপথে নেমে একযোগে রুখে দাঁড়িয়েছিল নিপীড়নের বিরুদ্ধে। হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ ও আন্দোলনকারীদের ঐক্যবদ্ধ চেষ্টায় বাংলাদেশ নতুন এক যাত্রায় পা রাখে।
স্মরণীয় সেই দিনটির বর্ষপূর্তিতে এবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’—যা অন্তর্বর্তী সরকারের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে প্রণীত হয়েছে। এই ঘোষণাপত্রকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতি রয়েছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়।
‘৩৬ জুলাই উদ্যাপন’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের সূচি অনুযায়ী, কর্মসূচি শুরু হবে সকাল ১১টায়। নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বিকেল ৫টায় পাঠ করা হবে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’। অনুষ্ঠান শেষ হবে রাত ৮টায় আর্টসেল ব্যান্ডের সঙ্গীত পরিবেশনার মাধ্যমে।
সার্বিক আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দিনটি শুধু একটি ঘোষণাপত্র পাঠের দিন নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক ও সামাজিক দিশার সূচনাবিন্দু হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে থাকবে।