ভেনেজুয়েলার একটি নৌযানে মার্কিন বাহিনীর হামলায় ১১ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ তুলেছে দেশটির সরকার। বুধবার সাপ্তাহিক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলো বলেন, “তারা যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়াই ১১ জনকে হত্যা করেছে। আমি জানতে চাই, এটা করা যায় কিনা?”
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, নৌযানটিতে ভেনেজুয়েলা থেকে মাদক বহন করা হচ্ছিল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে জানান, নিহতরা কুখ্যাত ভেনেজুয়েলান গ্যাং ‘ট্রেন ডি আরাগুয়া’র সদস্য। তার ভাষায়, জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় অবস্থান করছিল এবং যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক পরিবহন করছিল।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী সাউথকম অঞ্চলে দায়িত্ব পালনকালে ভেনেজুয়েলার কাছাকাছি একটি মাদকবাহী নৌযানে হামলা চালায়। তিনি দাবি করেন, নৌযানটিতে বিপুল পরিমাণ মাদক ছিল।
পরে নিজের প্ল্যাটফর্মে ট্রাম্প লেখেন, “আমার নির্দেশে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ‘ট্রেন ডি আরাগুয়া’র মাদক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি সফল হামলা চালিয়েছে। এতে ১১ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে, তবে মার্কিন বাহিনীর কোনো ক্ষতি হয়নি। যারা যুক্তরাষ্ট্রে মাদক আনার চেষ্টা করছে, তাদের জন্য এটি সতর্ক বার্তা।”
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে।
সূত্র: আল আরাবিয়া।