শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর পাঠানো হলো শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই: রোমে পরিবেশমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা

ভারতের উত্তরাখণ্ডে ভয়াবহ দাবানল

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ দাবানল। নন্দা দেবী জাতীয় উদ্যানের অংশ এবং বিশ্বখ্যাত পর্যটন এলাকা ‘ভ্যালি অব ফ্লাওয়ার্স’-এর আশপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সেখানে জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থল অভিযানের পাশাপাশি আকাশপথে অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমে সহায়তা করছে ভারতীয় বিমানবাহিনী।

কর্তৃপক্ষ জানায়, জানুয়ারির শুরুতে দাবানলের সূত্রপাত হয়। এরপর একটানা কয়েক দিন ধরে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আগুন জ্বলতে থাকায় দ্রুত বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলে তা ছড়িয়ে পড়ে। এতে বনজ সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন বিভাগ দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে নামলেও খাড়া পাহাড়, ঘন জঙ্গল এবং দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থা অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।

বন কর্মকর্তা ও আবহাওয়াবিদদের মতে, স্বাভাবিকের তুলনায় চরম শুষ্ক আবহাওয়াই এবারের দাবানলের প্রধান কারণ। বিশেষ করে উঁচু পাহাড়ি অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও তুষারপাত প্রায় না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। চলতি শীত মৌসুমে উত্তরাখণ্ডে প্রায় কোনো তুষারপাত হয়নি এবং বৃষ্টিপাতও ছিল অস্বাভাবিকভাবে কম। ফলে বনভূমির শুকনো ঘাস, পাতা ও ঝোপঝাড় অত্যন্ত দাহ্য হয়ে উঠেছে।

ভারতের ফরেস্ট সার্ভে অব ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, গত ১ নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত উত্তরাখণ্ডে ১ হাজার ৬০০টিরও বেশি শীতকালীন দাবানল সতর্কতা জারি করা হয়েছে—যা চলতি মৌসুমে ভারতের যেকোনো রাজ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ। সাধারণত শীতকালে তুষারপাত বনভূমিকে আর্দ্র রাখে এবং আগুনের ঝুঁকি কমায়। তবে তুষারপাত না হওয়ায় শুকনো ঘাস ও পাতার স্তূপে সামান্য স্ফুলিঙ্গও ভয়াবহ আগুনে রূপ নিচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, আগুন ছড়িয়ে পড়া অনেক এলাকা অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় স্থলপথে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। সে কারণে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে আকাশপথে পানি ও অগ্নিনির্বাপণ উপকরণ ফেলা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ড্রোন ও স্যাটেলাইট নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

বন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভবিষ্যতে দাবানলের মৌসুম আরও দীর্ঘ ও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। আগুন প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতি, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা এবং বন ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস, ইন্ডিয়া টুডে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD