বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গোষ্ঠী হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য এ কে.আজাদের ফরিদপুরের বাড়িতে স্থানীয় বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীর চড়াও হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
শুক্রবার (৪ জুলাই) রাত ১২টার দিকে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি নথিভুক্ত হয়।
মামলায় ফরিদপুর মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফাসহ ১৬ নেতাকর্মীর নাম ও অজ্ঞাতপরিচয় আরো অন্তত ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদউজ্জামান জানান, শহরের ঝিলটুলীতে এ কে আজাদের বাড়িতে ‘বেআইনিভাবে প্রবেশ করে হত্যার হুমকি’ দেয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় হা-মীম গ্রুপের ল্যান্ড কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাফিজুল খান ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে এজাহার জমা দেন। এতে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা ছাড়াও আসামির তালিকায় আছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহরিয়ার হোসেন, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সম্পাদক নাজমুল হাসান চৌধুরী, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম, মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি ক্যাপ্টেন সোহাগ প্রমুখ।
নিন্দা-প্রতিবাদ অব্যাহত
এ. কে. আজাদের বাড়িতে চড়াওয়ের ঘটনায় বিভিন্ন দল, সংগঠন ও শ্রেণি-পেশার মানুষের নিন্দা-প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার (৫ জুলাই) বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ও দলের ফরিদপুর জেলার সাবেক সভাপতি রফিকুজ্জামান এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।
ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী বিবৃতিতে বলেন, ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে আজাদের বাড়িতে চড়াও হওয়ার ঘটনা নিন্দনীয় ও অনাকাঙ্ক্ষিত। শান্তিপ্রিয় ফরিদপুরবাসীর জন্য এটি কলঙ্কিত ঘটনা।