শিরোনাম :
বন্ধ পাটকল চালু করলে অর্থনীতিতে গতি আসবে;বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যকর মাধ্যম: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বাংলাদেশ-সেনেগাল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল ও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ বাংলাদেশ ইতালির সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তর-পূর্ব জাপানে ভূমিকম্পে কাঁপন, তিন মিটার সুনামির আশঙ্কা লেবাননে ধর্মীয় প্রতীক ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা, আইডিএফের তদন্ত শুরু আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ক্যান্টন ফেয়ারের বাড়তি গুরুত্ব বৈশ্বিক চলচ্চিত্র সংযোগে বেইজিংয়ের অগ্রযাত্রা অনিশ্চিত বিশ্বে চীনের অর্থনীতি স্থিতির ভরসা

পলাশবাড়ীর বিধবা তিন বোনের করুণ কাহিনী

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৯

আবু হানিফ মোঃ বায়েজীদ, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: অসহায়দেরকে সহায়তা করুণ শীতের তীব্রতা হতে রক্ষায়। শীতকাল সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতেও শীতের তীব্রতা একটু বেশী। এই শীতে একটু ভারী কাপড় বা ভারী বস্ত্র ছাড়া শীত নির্বারণ ব্যাপক কষ্টসাধ্য বটে। যদি শীত নিবারণে কোন বস্ত্রাদি না থাকে তবে ঘুমানোর কোন উপায় নেই কারো।

শীতের তীব্রতার মাঝে প্রতিটি রাত কেটে যায় গোলেজা,আমিনা, জামিনা পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব বিধবা তিন বোনের। তিনবোনের একজনের একটি মাত্র মেয়ে তার বিবাহ হয়ে গেছে। তিনকুলে তাদের আপনজন কেউ নেই। গ্রামের সকলের দয়া দক্ষিণা ও ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবন যাপন করেন তারা তিনবোন।

পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর হাঁসবাড়ী দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুসলিম শিশুপল্লীর উদ্যোগে এক্সিম ব্যাংকের সহযোগীতায় মাজেদার রহমান দুলুর শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ কালে দেখা যায়। আমিনা মাঠে চোখে পানি নিয়ে কেদেঁ বলছে, স্যার আমার এনা কম্বল দেন।

শীতের সারারাত কাটে চোখে ঘুম আসেনা ঠান্ডায়,কম্বল সবাই পায় হামরা পায় না।একটা কম্বল নিয়ে দেন হামি আর ঠান্ডা সহয্য করতে পাইনা আমার খুব কষ্ট হয়। হামরা তিনটা বিধবা বোন বাপের এলাকায় পরে জায়গায় থেকে ভিক করে চায়া চিন্তে খাই। কেউ আমাদের দিকে দেখে না। কয়েকদিন আগে একটা গেঞ্জি চায়া নিছি তাক দিয়ে হামার শীতে ঠান্ডা যায় না এভাবে বলছে আর চোখ বয়ে পানি ঝড়ছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরাচন্দ্রপুর গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে অন্যের জায়গায় বসবাস করে মৃত নছির উদ্দিনের তিন মেয়ে পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব গোলেজা, আমিনা ও জামিনা বিধবা তিনবোন কোন প্রকার ভাতা পায় না, পায় না কোন সরকারি সুবিধা। সমাজের বিত্যবানদের সহ উপজেলায় সরকারের সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাগণের নিকট সকলের কাছে নিবেদন আসুন অসহায় কে সহায়তা করি।

আপনাদের একটু সহায়তা ও মানবিকতায় লাগব হবে শীতের এ কষ্টসহ জীবন বাচাতে যত কষ্ট।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD