শিরোনাম :
সিইসিকে বাঁচাতে দিল্লিতে ‘কালো জরুরি অবস্থা’ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে জাপানি সরকারের নীতি: চীন নতুন যুগে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ঘিরে যৌথ প্রত্যাশা দিল্লিতে সাংসদদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আটক মানব পাচার রোধে টিয়ার-২ ধাপে বহাল বাংলাদেশ: মার্কিন প্রতিবেদন রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণের জন্য: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ঢাকেশ্বরীতে মহালয়া উদযাপন: অংশ নিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার পরীক্ষায় ফলের চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া জরুরি : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ আবু সাঈদের আত্মত্যাগই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভিত্তি: ত্রাণমন্ত্রী ভাষাদক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানের সমন্বয়ে এগোবে অর্থনীতি: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নতুন যুগে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক: কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ঘিরে যৌথ প্রত্যাশা

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

চীনে বাংলাদেশ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ২০২৬ সালের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সম্মানে সংবর্ধনার আয়োজন করেছে ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস। ৮ অক্টোবর আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। পাশাপাশি চীন সফরে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সব অংশগ্রহণকারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ড. লিউ ইউইন বলেন, দুই দেশের নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের উন্নয়নে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় পরিস্থিতি ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নের পথ অনুসন্ধানে চীন দৃঢ়ভাবে সমর্থন জানায়। এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দুই দেশের রাষ্ট্র পরিচালনা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বিনিময় আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন এবং চীন-বাংলাদেশ অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ কর্মসূচি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির জন্য চীনের পক্ষ থেকে নেওয়া আন্তরিক ও সুচিন্তিত উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, চীন সফর দেশটির উন্নয়নের অভিজ্ঞতা আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে দুই দেশের সরকার ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থা বাড়াবে।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, এ সফরের মাধ্যমে বাণিজ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারিত হবে এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে নতুন সাফল্য অর্জিত হবে।

সূত্র: নাহার-জেনিফা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD