জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর শহরের এক রেস্টুরেন্টে ১৯৮১ সালে ১৭ই মে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে স্বাধীনতার “স্বপক্ষের প্রবাসীরা”।
মাতৃভূমি বাংলাদেশে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জোর করে ক্ষমতায় আসা অবৈধ ইউনুস সরকার, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে তারা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সর্ব ইউরোপিয়ান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি জনাব আমিনুর রহমান-এর সভাপতিত্বে উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মহসিন হায়দার মনি, কামরুল ইসলাম সেলিম, হাফিজুর রহমান আলম, নজরুল ইসলাম খালেদ, দেলোয়ার জাহিদ বিপ্লব, আমানুল্লাহ ইসলাম, তোফাজ্জল হোসেন সেন্টু, মালেক চৌধুরীসহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন, এই অবৈধ ইউনুস সরকারর সংস্কার থেকে শুরু করে কোন কিছু করার সাংবিধানিক অধিকার নেই। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এসে যেমন নিয়ম তান্ত্রিক পদ্ধতিতে আইনের সঠিক প্রয়োগে বঙ্গবন্ধুর স্বঘোষিত খুনিদের এবং যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি দিয়েছিলেন, ঠিক তেমনি করে বাংলার জনগণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জনগণের প্রয়োজনে দেশে এনে বাংলাদেশের দায়িত্বভার দিবেন। তখন জুলাই আগস্টে তিন হাজারের উপরে পুলিশ হত্যাকারী, সরকারি স্থাপনা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, জেলখানা ভেঙ্গে রাষ্ট্র বিরোধী সন্ত্রাসীদের মুক্ত করার অভিযোগে সকল অপরাধীদের আইনের মাধ্যমে সঠিক বিচার করা হবে।
গণতন্ত্রের মানসকন্যা মানবতার মা উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনা বীরের বেশে বাংলাদেশে ফিরবে এবং বর্তমান ইউনুস সরকারের সকল অবৈধ কর্মকর্তাদের উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে সুস্থ সুন্দর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে মনোনিবেশন করবেন।
বক্তারা আরো বলেন, পূর্বে স্বাধীনতা বিরোধী, দেশবিরোধী, জনগণ বিরোধী জঙ্গি সন্ত্রাসীরা আমাদের কাছে অপরিচিত ছিল। এখন আমাদের কাছে ওরা চিহ্নিত। ওদের দেশবিরোধী বক্তব্য, সন্ত্রাসী অপকর্মসহ ওদের সকলের ছবিসহ প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। স্বাধীন বাংলাদেশে ওদের থাকার বা বাঁচার কোন অধিকার নেই। সঠিক বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়া হবে সঠিক সময়ে।