শিরোনাম :
ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ফেনীতে ২ কোটি ১৩ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি ধানমন্ডি লেককে কোনোভাবেই বাণিজ্যিক এলাকা হতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক হবিগঞ্জের মাধবপুরে তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত; উদ্ধার সহায়তা করছে বিজিবি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আইন মানলে পরিবর্তন হবে দেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী হরমুজ অচল, আরব অর্থনীতিতে ধসের শঙ্কা: জাতিসংঘের সতর্কবার্তা মার্কিন-ইরান উত্তেজনায় ন্যাটোতে ফাটল, জোট পুনর্বিবেচনার হুঁশিয়ারি ওয়াশিংটনের বৈশ্বিক ডেটা ব্যবস্থাপনায় নতুন প্ল্যাটফর্ম ডব্লিউডিও জাতিসংঘ সনদের প্রতি শ্রদ্ধা রাখার তাগিদ বেইজিংয়ের

জন্ম থেকে ৫ বছরে গড়ে ওঠে ৯০ শতাংশ মস্তিষ্ক, তাই খাবারেই ভবিষ্যতের ভিত্তি

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জন্ম থেকে পাঁচ বছর-এই সময়টাই শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পাঁচ বছরে শিশুর মস্তিষ্কের প্রায় ৯০ শতাংশ বিকাশ সম্পন্ন হয়। প্রতি সেকেন্ডে তৈরি হয় কোটি কোটি স্নায়ু-সংযোগ, যা ভবিষ্যতের শেখা, স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি গড়ে দেয়। বাকি ১০ শতাংশ বিকাশ ধীরগতিতে চলতে থাকে পরবর্তী ২০–২৫ বছর পর্যন্ত। এরপর মস্তিষ্কের গঠনগত বিকাশ প্রায় থেমে যায় বললেই চলে।

এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সঠিক ও পুষ্টিকর খাবার শিশুর মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, মনোযোগ, শেখার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। নিচে তুলে ধরা হলো শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক সেরা আটটি খাবার।

১. ডিম

ডিম হলো প্রোটিন ও পুষ্টির চমৎকার উৎস। এতে থাকা কোলিন ও উচ্চমানের প্রোটিন মস্তিষ্কের গঠন ও কোষগুলোর মধ্যে সংযোগ তৈরিতে সহায়তা করে। ডিম দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায়, ফলে পড়াশোনা বা শেখার সময় শিশুর মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

২. মাছ

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মাছ মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ও শেখার ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ। ইলিশের পাশাপাশি দেশি ‘তাইল্যা’ মাছ, সামুদ্রিক টুনা ভালো বিকল্প হতে পারে। যেসব শিশু মাছ খেতে চায় না, তাদের জন্য বাদাম, তিসি বীজ ও চিয়া সিড উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩–এর ভালো উৎস।

৩. দুধ ও দই

দুধ ও দইয়ে থাকা প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন বি১২ স্নায়ুতন্ত্র, হাড় ও দাঁতের বিকাশে সহায়ক। এসব উপাদান মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ।

৪. সবুজ শাকসবজি

পালংশাক, ব্রকলি ও অন্যান্য সবুজ শাক আয়রন, ফলিক অ্যাসিড ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এগুলো মস্তিষ্কের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং কোষের সুস্থতা বজায় রাখে।

৫. বাদাম, বীজ ও ডাল

আখরোট, তিসি ও চিয়া বীজে আছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, জিঙ্ক ও ভিটামিন ই—যা স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও মস্তিষ্কের কোষ রক্ষা করে। বিভিন্ন ধরনের ডাল প্রোটিন, আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের ভালো উৎস হিসেবে কাজ করে।

৬. ফলমূল

কলা ও বেরি–জাতীয় ফল প্রাকৃতিক চিনি, পটাশিয়াম ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্টে ভরপুর। এসব উপাদান মস্তিষ্ককে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে এবং স্মৃতি ও স্নায়ু-সংযোগ উন্নত করে।

৭. অ্যাভোকাডো

সুপারশপে সহজলভ্য এই ফলটিতে আছে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাড়ায় এবং কোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে।

৮. গোটা শস্য ও খিচুড়ি

লাল চাল, লাল আটার রুটি ও ওটসের মতো গোটা শস্য ধীরে ধীরে গ্লুকোজ সরবরাহ করে, ফলে শিশুর মস্তিষ্ক সারাদিন শক্তি ও মনোযোগ পায়। এতে থাকা ভিটামিন বি স্নায়ুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

অন্যদিকে খিচুড়ি শিশুর জন্য একটি আদর্শ সুষম খাবার। চাল ও ডাল একসঙ্গে রান্না হওয়ায় এতে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিডের ভারসাম্য তৈরি হয়। চালের সঙ্গে ডাল, শাকসবজি, আলু, গাজর, মটরশুঁটি, ফুলকপি বা ব্রকলি যোগ করলে খিচুড়ি হয়ে ওঠে শিশুর জন্য একেবারে ‘সুপারফুড’।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে বৈচিত্র্য রাখা জরুরি।

সূত্র: হার্ভার্ড হেলথ।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD