শিরোনাম :
ফ্রাঙ্কফুর্ট ও আশপাশে গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ ঘটনা: রেলপথে বিঘ্ন, দাবানল, যানজট, বিমানবন্দর অভিযান ও সূর্যগ্রহণের প্রস্তুতি আলবার্ট আইনস্টাইন: কৌতূহল ও অধ্যবসায়ের অনন্য দৃষ্টান্ত শিশুদের পড়িয়ে, হাটে বড়ই বিক্রি করে এসএসসিতে এ প্লাস পেল দুর্জয় রোডেনবাখে বনাঞ্চলে আগুন, বড় ধরনের ফায়ার সার্ভিস জার্মানিতে অর্থনীতি ও রেল খাতে সংস্কারে নতুন উদ্যোগ রিয়াদের কারখানায় আগুনে নিহত ১৬ বাংলাদেশি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শোক এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাস ৬২.২৫ শতাংশ হামাস নিরস্ত্রীকরণ ছাড়া গাজা ছাড়বে না ইসরায়েল, ট্রাম্পের প্রস্তাবে নেতানিয়াহুর না হেসেনে আবার বাড়ছে তাপমাত্রা, বয়স্ক ও শিশুদের সতর্ক থাকার পরামর্শ সিরামিক শিল্পের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান

চলে গেলেন নির্বাসিত কবি দাউদ হায়দার

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫

চলে গেলেন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাসিত কবি দাউদ হায়দার (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। গতকাল শনিবার (২৬ এপ্রিল) স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে জার্মানির রাজধানী বার্লিনের একটি রিহ্যাবিলিটেশন হোমে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বার্লিনে কবির অত্যন্ত স্নেহভাজন, সংস্কৃতিকর্মী ও শিল্পী মাইন চৌধুরী পিটু বলেন, কবি দাউদ হায়দার গত বছরের ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অসুস্থতাজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। সে কারণে বেশ কয়েক মাস জার্মানির বেশ কয়েকটি হাসপাতালেও চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে কবির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

মাইন চৌধুরী বলেন, কবির মরদেহ বার্লিনেই দাফন করা হবে। তবে তার শেষ বিদায় কোথায় এবং কখন হবে তা দেশে থাকা কবির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এবং বার্লিনে তার ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে গত বছর ডিসেম্বরের ১২ তারিখ বার্লিনের যে ফ্ল্যাটটিতে তিনি বসবাস করতেন, সেখানকার সিঁড়িতে মাথা ঘুরে পড়ে অজ্ঞান হয়েছিলেন তিনি। সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর নগরীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তাকে ‘কৃত্রিম কোমায়’ রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, নির্বাসিত কবি দাউদ হায়দার নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন। কবি ও সাংবাদিক দাউদ হায়দার ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাবনার দোহারপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রতিবাদী লেখা ও কবিতার জন্য ১৯৭৪ সালেই তিনি মাতৃভূমি বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হন। সেই সময় তাকে জার্মানির নোবেলজয়ী লেখক, কবি ও সাহিত্যক প্রয়াত গুন্টার গ্রাস ও দেশটির তৎকালীন ভাইস চ্যান্সেলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হান্স- ডিটরিখশ গেনশের জার্মানিতে নিয়ে আসেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD