গাজায় ভয়াবহ খাদ্য সংকট ও অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭০ জনে। এর মধ্যে ১৩১ জনই শিশু। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে মারা গেছেন অন্তত তিনজন। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজাজুড়ে নিহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩১ ফিলিস্তিনি। এর মধ্যে ১৯ জন গাজা সিটিতে এবং চারজন ত্রাণ সংগ্রহের সময় ইসরায়েলি গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আকস্মিক আক্রমণের পর থেকে ইসরায়েল অবিরাম হামলা চালিয়ে আসছে গাজায়। চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৩ হাজার ৭৪৬ ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন এক লাখ ৬১ হাজার ২৪৫ জন।
এদিকে হামাস ঘোষণা করেছে, তারা গাজা পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন জাতীয় প্রশাসন গঠনে প্রস্তুত এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি করতে রাজি। প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় সব ইসরায়েলি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হবে। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবি, যুদ্ধ অবিলম্বে শেষ হতে হলে কেবল মন্ত্রিসভার নির্ধারিত শর্তই কার্যকর হবে।
অন্যদিকে ইসরায়েলের অতি-ডানপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ পশ্চিম তীরের প্রায় সব অংশকে দখল করে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন এবং এর অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
গাজায় অনাহার, অবিরাম হামলা ও মানবিক সংকট ঘনীভূত হলেও এখনো শান্তির কোনো সুনির্দিষ্ট পথ দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই, আল জাজিরা।