রাইসুল আলম রবিন, খুলনা প্রতিনিধি: সদ্য সমাপ্ত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর খুলনায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের মূল্য দ্বিতীয় দফায় বেড়েছে। কেজি প্রতি দু’টাকা মূল্য বেড়েছে। অটো মিল মালিকরা এ অঞ্চল থেকে আমন ধান কিনে উত্তর অঞ্চলে পাঠানোর কারণে চালের সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। সঙ্কট নিরসনে সাতক্ষীরার ভোমরা ও বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় চাল আসছে। নোভা গোল্ড নামক ভারতীয় চিকন চালের কেজি প্রতি খুচরা মূল্য বাহান্ন টাকা।
এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দু’ দফায় চালের মূল্য বৃদ্ধির পেছনে শ্রমিক সঙ্কট ও শীতে মজুদ শেষ হওয়াসহ চারটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কারণ উল্লেখ করে খুলনাঞ্চলের দু’টি জেলার জেলাপ্রশাসক খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন।
নগরীর বিভিন্ন বাজারের খুচরা চাল ব্যবসায়ীরা জানান, নির্বাচনের পর পর পরিবহণ বন্ধ থাকায় চালের মূল্য বেড়ে যায়। পরবর্তীতে সরকারি আমন ধান ক্রয় মূল্য ৩৬ টাকা নির্ধারণ করায় এবং উত্তর অঞ্চলের অটো রাইস মিল মালিকরা এ অঞ্চল থেকে আমন ধান কিনে নিয়ে গেছে।
ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ী লাল মিয়া ও আব্দুস সালাম জানান, মোটা চাল কেজি প্রতি ৩০ টাকার পরিবর্তে ৩৫ টাকা, মিনিকেট ৪৬ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা, ইরি আতপ ২৮ টাকার পরিবর্তে ৩২ টাকা, ভারতীয় নোভা গোল্ড ৫২ টাকায় স্থিতিশীল এবং আটা ২৬ টাকার পরিবর্তে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের সহকারী নিয়ন্ত্রক ইকরামুল কবীর জানান, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে ভোমরা ও বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বেসরকারি পর্যায়ে ৩৬ হাজার ১৫ মে.টন চাল আমদানি হয়। গত ৩ মাসে সরকারি পর্যায়ে কোনো চাল আমদানি হচ্ছে না। খুলনা বিভাগের ২ হাজার ৪৮১টি রাইস মিলকে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ।