এ.এ. উবায়েদ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: এক সময় বাংলাদেশ পাট চাষ করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করত। এ দেশে ব্যাপক ভিত্তিতে পাট চাষ করা হতো। পাটকে বলা হতো সোনালী আঁশ। প্রধান অর্থকরী ফসল হিসাবে পাট ছিল শীর্ষে।
কিশোরগঞ্জের হাজার হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হতো। কৃষকেরা লাভের মুখ দেখতে না পেয়ে পাট চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। বর্তমানে পাট ও পাট জাতীয় পণ্যর চাহিদা ও দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে আবারও শুরু হয়েছে পাট চাষ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মোতাবেক এবার জেলাতে ৫ হাজার হেক্টরেরও অধিক জমিতে পাট চাষ করেছেন বিভিন্ন উপজেলার কৃষকেরা। এবার রোগবালাই কম হওয়ার দরুন ফলন ভাল হয়েছে।
কটিয়াদী, তাড়াইল, হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, বাজিতপুর, করিমগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি উপজেলাতে এবার পাঁচ হাজার হেক্টরেরও অধিক জমিতে এবারপাট চাষ হয়েছে। আবাদি ও অনাবাদী জমিতে বিভিন্ন উন্নতমানের পাট চাষ হয়েছে।
কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের পাট চাষী তাহের আরী জানান, এবার পাট চাষ করে মনপ্রতি ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা বিক্রি করে মোটামুটি লাভের মুখ দেখতে পাইছি, সামনের বার আরো বেশি কইরা পাট চাষ করবাম।
হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের মন্নাফ মিয়া জানান, ডোবা নালা কম থাকনের কারণে পাটের জাঁক দিতে সমস্যয় পড়তে হইছে। কিন্তু বাজারে দাম ভাল পাইছি। মন প্রতি ১৮০০শত টাহা কইরা পাইছি। আল্লাহ চাহে তো সামনেও পাট চাষ করুম।