শিরোনাম :
আদিবাসী তরুণদের গবেষণায় উঠে এলো পানি সংকট ও প্রাকৃতিক সম্পদ হ্রাসের চিত্র নজরুলকে স্মরণে ছায়ানটে সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটক টানতে ৪০ দেশের জন্য ভিসা ফ্রি করল শ্রীলঙ্কা সি চিন পিংয়ের সঙ্গে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের বৈঠক চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সাক্ষাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্ব দিল ইউনেস্কো নেতানিয়াহুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বিশ্বকাপে মেক্সিকোতেই থাকবে ইরান দল ঈদের সার্বিক নিরাপত্তা ও মহাসড়ক তদারকিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হজের প্রথমদিন, লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত মিনার প্রান্তর

কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্স যেন টাকার ব্যাংক!

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৯

এ. এম. উবায়েদ, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স তিন মাস ছয়দিন পর আবারও খোলা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ পৌরশহরের ৫ নং ওয়ার্ডেও হারুয়া অবস্থিত এ মসজিদটিতে এবার দানবাক্স খুলে ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৩ টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও পাওয়া গেছে সোনা, রূপা ও বৈদেশিক মুদ্রা।শনিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সটি খোলা হয়।

সর্বশেষ গত বছরের ১৩ অক্টোবর মসজিদের দানবাক্স খুলে গণনা করে ১ কোটি ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৫ টাকা পাওয়া যায় বলেও জানান তিনি।

প্রায় আড়াইশ বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর এ কারণেই মূলত দূর-দূরান্তের মানুষও এখানে মানত করতে আসেন। দানবাক্সে পাওয়া টাকা সাধারণত কমিটি, বিভিন্ন মসজিদে দান-খয়রাত, মাদ্রাসার উন্নয়ন ও জণকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়ে থাকে।

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান এর তত্ত্বাবধানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজির হোসেন, মো. শরীফুল আলম ও সাগুফতা হকসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সার্বক্ষণিক দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান সময়ের কন্ঠস্বরকে জানান, তিন মাস পরপর মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার তিন মাস ছয়দিন পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছে। টাকাগুলো গুনে নগদ ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৩ টাকা পাওয়া যায়। টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছে। আর যে স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গেছে তা আগের স্বর্ণালঙ্কারের সঙ্গে যোগ করে সিন্দুকে রেখে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দানে পাওয়া গবাদীপশু ছাগল, হাস-মুরগি প্রতি সপ্তাহেই নির্ধারিত দিনে নিলামে বিক্রি করা হয়।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD