রেজাউল করিম বিপ্লব, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দুই বিদ্যালয়ের গোপনীয়তায় ৬ মেধাবি শিক্ষার্থীর রেজিষ্ট্রেশন নিয়ে বিপাকে রয়েছে শিক্ষার্থীরা। আর সন্তানদের ভবিষৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন অবিভাকরা। উপজেলার উচাখিলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মরিচারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে গোপনে নাম রেজিষ্ট্রেশন করায় এ ধরনের বিড়াম্ভনায় শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, মরিচারচর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬ শিক্ষার্থী জেএসসি পাশ করে অন্য স্কুলে ভর্তির জন্য প্রধান শিক্ষকের কাছে ছাড়পত্রের জন্য বারবার ধর্না দিয়েও তারা ছাড়পত্র না পেয়ে শুধু মার্কশীট নিয়ে উচাখিলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী সানজিদা আক্তার দিপ্তি, জিনাতুনেচ্ছা, মারিয়া সুলতানা, আমানউল্লাহ হোসেন, তরিকুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম তাদের লিখিত অভিযোগে জানাযায়, মরিচারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে মানসম্পন্ন পাঠ দান না হওয়ায় ২০১৮ সালে জানুয়ারি মাসে অনলাইনের মার্কশীট দিয়ে উচাখিলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিল। উচাখিলা স্কুলে নবম শ্রেণিতে নাম রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা জানতে পারে তাদের নাম রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছে মরিচারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে।
শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, ১৩ সেপ্টেম্বর নাম রেজিষ্ট্রেশনের শেষ দিন। কোনো উপায় না দেখে শিক্ষার্থীরা তাদের অবিভাবকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা অফিসার এলিশ শরমিনের কাছে লিখিত অভিযোগ করে মরিচারচর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তাদের রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করে উচাখিলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রেজিষ্ট্রেশনের অনুমতির জন্য।
এ ব্যাপারে মরিচারচর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরাফ উদ্দিনকে গোপনীয়ভাবে এসব শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষরবিহীন তার স্কুলে ভর্তি ছাড়া এমনকি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার পরও কিভাবে এ শিক্ষার্থীদের নাম রেজিষ্ট্রেশন করা হলো এমন প্রশ্ন কারা হলে তিনি বলেন , তার স্কুলের সনদপত্র ছাড়া অন্য স্কুলে কিভাবে ওরা ভর্তি হলো, বলেই তিনি বিষয়টি এরিয়ে যান।
এ সম্পর্কে উচাখিলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম এর সাথে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।