জার্মানবাংলা২৪ ডটকম: নানা ধরনের অনিয়ম আর অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ অনেক দিন ধরেই আছে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (আইএইটি) কলেজ শাখার সিনিয়র সভাপতি আলমাছ উদ্দিন-এর বিরুদ্ধে। তার একক আধিপত্যের বিরুদ্ধে কথা বললেই সর্বনাশ।
সূত্রে জানা যায়, আইএইটির কলেজ শাখার ছাত্রলীগের কলেজ শাখায় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সিনিয়র সভাপতি আলমাছ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক রিফাত হোসেন- এর মধ্যে মতপার্থক্যের সৃষ্টি হয়। এ কারণেই সাধারণ সম্পাদক রিফাত হোসেনকে হত্যাচেষ্টা করে আলমাছ উদ্দিন। এ ঘটনায় রিফাত হোসেন-এর দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন আলমাছ উদ্দিন ।
ঘটনার সূত্রে ধরে জানা যায়, গত ২৪ এপ্রিল ২০১৮ তে জসিম জনিকে সভাপতি ও রিফাত হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হওয়া কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন আলমাছ উদ্দিন। নির্বাচিত হবার পর থেকেই জসিম জনির ছত্র-ছায়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠে আলমাছ। কলেজ হোস্টেলে সিট বাণিজ্য এবং তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ তোয়াক্কা না করেই হোষ্টেল ডাইনিংয়ে চায়ের দোকান বসায় আলমাছ। সাধারণ সম্পাদক রিফাত এ বিষয়টির প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৭ জুন রাতে আইএইচটি ক্যাম্পাসে আলমাছ উদ্দিন-এর নেতৃত্বে কয়েকজন রিফাত হোসেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে।
এ ঘটনায় আলমাছকে প্রধান আসামী করে মোট ৪ জনকে আসামি করে বনানী থানায় ৩রা জুলাই মামলা করেন রিফাত হোসেন। বানানী থানা মামলা নং-২। মামলার অন্য আসামীরা হচ্ছে মো. আসলাম, ফারুক এবং ইমরান। ৩রা জুন রাতে মহাখালী আইএইচটি ক্যাম্পাস থেকে প্রধান আসামী আলমাছ উদ্দিনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বনানী থানার ওসি ফরমান আলী।
উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল আইএইচটির ছাত্রলীগের গঠিত নতুন কমিটির বিরুদ্ধে “বিবাহিত, চাকরিজীবী, অছাত্র তবুও ছাত্রলীগ নেতা!” শিরোনামে বিভীন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদ থেকে জানা যায়, আলমাছ ‘প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র’ ফরিদগঞ্জ শাখায় কর্মরত এবং গত ২০ ফেব্রুয়ারি তার নামে প্রশিক্ষনের অফিস আদেশ জারি হয় । আলমাসের ফেসবুক পোস্ট এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রে এই খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া তিনি ২০০৮ সালে বিয়ে করেন এবং তিনি লামিয়া নামে এক কন্যা সন্তানের জনক।