শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই দেশের প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, এবার শুধু সময়মতো নয়, বইয়ের মানও আগের তুলনায় উন্নত—যা অন্তর্বর্তী সরকারের একটি বড় সাফল্য।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আবুল বাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আরও জানান, চলতি শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের জন্য সরকার মোট ৩০ কোটি বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণ করেছে। প্রাথমিক স্তরের ক্ষেত্রে শতভাগ বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হলেও, মাধ্যমিক স্তরে এখনো বিতরণ কার্যক্রম চলমান।
জাতীয় পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাক্রম বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট বইয়ের সংখ্যা ৮ কোটি ৫৯ লাখ। এসব বইয়ের ছাপা, বাঁধাই ও কাটিংয়ের কাজ সম্পন্ন করে আগেই দেশের সব উপজেলায় পাঠানো হয়েছে।
তবে মাধ্যমিক, দাখিল, দাখিল-ভোকেশনাল ও কারিগরি স্তরের পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ এখনও চলমান। এ পর্যন্ত ৫৮ শতাংশের বেশি বই সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে বছরের প্রথম দিনেই মাধ্যমিক স্তরের শতভাগ শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছানো সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।