ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি স্কোয়াশ কমপ্লেক্সে বিশ্বের নয় দেশের অংশগ্রহণে শুরু হয়েছে প্রথম সিএএস আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ প্রতিযোগিতা। উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছেন বাছাই করা ২৪ জন শীর্ষ স্কোয়াশ খেলোয়াড়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, সেনাপ্রধানের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নিচ্ছে জাপান, বেলজিয়াম, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, হংকং, কুয়েত, বাহরাইন ও মিশর।
গত ২ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্ট চলবে আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।
শুক্রবার আর্মি স্কোয়াশ কমপ্লেক্সে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং চীফ ও বাংলাদেশ স্কোয়াশ ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল মু. হাসান-উজ-জামান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান স্কোয়াশ ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট আদেল আল-গালিব। এ ছাড়া ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম (অব.), নির্বাহী পর্ষদের সদস্যবৃন্দ এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর জেনারেল মু. হাসান-উজ-জামান বলেন,
“সীমিত সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েই বাংলাদেশে স্কোয়াশ খেলাকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে ভবিষ্যতে স্কোয়াশে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে।”
এ সময় ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জি এম কামরুল ইসলাম বলেন,
“নিজস্ব কোর্টের অভাবসহ নানা সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা বিলুপ্তপ্রায় স্কোয়াশ খেলাটিকে ধীরে ধীরে পুনর্জীবিত করেছি। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং একটি স্থায়ী স্কোয়াশ কমপ্লেক্স পেলে আমাদের খেলোয়াড়রা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক অর্জনের পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সক্ষম হবে, ইনশাআল্লাহ।”
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বাংলাদেশের স্কোয়াশ অঙ্গনে নতুন গতি সঞ্চার করবে এবং তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য বিশ্বমঞ্চে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করবে।