শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়াতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ’ অনুমোদিত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যা: দুই কিশোর পাঠানো হলো শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পরিবেশ, প্রাণী ও জনস্বাস্থ্যকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই: রোমে পরিবেশমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার সস্তা রুশ তেল নাকি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক, দিল্লির সামনে ক্রমেই জটিল সমীকরণ ইতালির স্কুলে হিজাব-বোরকা নিষিদ্ধের উদ্যোগ, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও আসছে সীমা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণে চীনা কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা চায় অ্যাঙ্গোলা সৌরশক্তি ও পশুপালনের সমন্বয়ে গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন পথ সরকারি চাকরিতে নতুন বেতনকাঠামো, সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা

যৌতুক ও মাদক নির্মূলে পরিবার থেকেই পরিবর্তনের ডাক ভূমি প্রতিমন্ত্রীর

জার্মান-বাংলা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

যৌতুক ও মাদককে দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য অন্যতম বড় হুমকি উল্লেখ করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, সমাজকে সুস্থ ও মানবিক করতে হলে পরিবর্তনের সূচনা হতে হবে ব্যক্তি ও পরিবার থেকে। অন্যের দিকে তাকিয়ে না থেকে প্রত্যেককে নিজের ঘর থেকেই যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরস্থ এলজিইডি ভবনের মিলনায়তনে আঞ্জুমানে রজরিয়া ট্রাস্ট আয়োজিত ‘যৌতুক ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও মানবিকতার কথা বলা হলেও বাস্তবে বিয়ের সময় যৌতুক দাবি কিংবা অপ্রয়োজনীয় বরযাত্রীর নামে কন্যাপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত অমানবিক। যৌতুকের কারণে অসংখ্য নারী প্রতিনিয়ত নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, নিজের কন্যার প্রতি যে সম্মান ও ভালোবাসা দেখানো হয়, পুত্রবধূর প্রতিও একই আচরণ নিশ্চিত করা গেলে যৌতুকনির্ভর নির্যাতনের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

তিনি আরও বলেন, অন্যকে নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়ার আগে সেই শিক্ষা নিজের পরিবারে বাস্তবায়ন করতে হবে। সামাজিক পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকর ক্ষেত্র হচ্ছে পরিবার, আর সেখান থেকেই ইতিবাচক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটতে পারে।

যুবসমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। গত কয়েক বছরে নীতি-নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের যে অবক্ষয় ঘটেছে, তা মোকাবিলায় সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। তিনি বলেন, এলাকায় অপরাধীদের পরিচয় সাধারণত গোপন থাকে না। এমনকি নিজের সন্তান মাদকাসক্ত বা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেও তাকে আইনের আওতায় আনতে পরিবারের সদস্যদের সাহসী ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বেতার, টেলিভিশন ও পথনাটকের মাধ্যমে যৌতুক ও মাদকের ক্ষতিকর দিক নিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করা সম্ভব। পাশাপাশি আলেম-ওলামারা জুমার খুতবা ও ওয়াজ মাহফিলে এ বিষয়ে আলোচনা করলে সমাজে ইতিবাচক জনমত গড়ে উঠবে। তিনি ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সব স্তরের মানুষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মু.জি.আ.)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিভিন্ন স্তরের আলেম-ওলামা, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD