শিরোনাম :
হিমালয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর ওয়াশিংটনে ফেং লি ইউয়ানের চীন-মার্কিন সাংস্কৃতিক যোগাযোগের বার্তা  ট্রাম্পের আয়োজিত ভোজসভায় চীন-মার্কিন বন্ধুত্বের উষ্ণ বার্তা বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর জাতিসংঘে বিশ্বশান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি হাসপাতালে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগে ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর চার দফা প্রস্তাব জাতিসংঘে GPE-এর উচ্চপর্যায়ের আয়োজনে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে আরও অর্থায়ন চাইলেন ববি হাজ্জাজ নিউইয়র্কে ‘উইমেন লিডার্স’ প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান

জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপারসহ ১৯ জন আসামী করে মামলা

সুলতান আল এনাম,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় জামায়াত নেতা এনামুল হক হত্যার ঘটনায় মামলার তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে। কোটচাঁদপুরের চাঁদপাড়া গ্রামে ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি জামায়াত নেতা এনামুল হককে হত্যার ঘটনায় রোববার দুপুরে কোটচাঁদপুর আমলী আদালতে মামলার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন নিহতের ভাই বায়েম তারিকুজ্জামান।বায়েম তারিকুজ্জামান অভিযোগ করেছেন যে,তার ভাই এনামুল হককে ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ থেকে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে যায়। এনামুল হক ওই সময় জামায়াত-সমর্থক চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজুল ইসলামের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে অপহৃত হন।

 

 

পরে ২৬ জানুয়ারি কোটচাঁদপুরের নওদাপাড়া গ্রামে তার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ সেই সময় দাবি করেছিল, যৌথ বাহিনীর অভিযানে এনামুল হক নিহত হন।মামলার তদন্তে নতুন অভিযোগ এসেছে যে,এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বিত ষড়যন্ত্র ছিল। মামলায় সাবেক ঝিনাইদহ-৩ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য নবী নওয়াজ, শফিকুল আজম খান চঞ্চলসহ ১৪ জন এবং কোটচাঁদপুরের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, এসআই মজিদুর রহমান,এসআই সৈয়দ আলী ও কনস্টেবল সম্রী কুমারসহ মোট ১৯ জনকে আসামী করা হয়েছে।আদালত মামলাটি গ্রহণ করে কোটচাঁদপুর থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে, কোটচাঁদপুর থানার ওসি মো. সৈয়দ আল মামুন জানিয়েছেন, আদালতের আদেশ এখনো থানায় পৌঁছায়নি। আদেশ হাতে পেলে মামলার কার্যক্রম শুরু হবে।এই মামলা রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে গুরুতর বিতর্ক সৃষ্টি করেছে এবং এলাকার জনগণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের দিকে সবাই তাকিয়ে রয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD