শিরোনাম :
খেরসনে জাতিসংঘের ত্রাণবহরে রুশ ড্রোন হামলার অভিযোগ ঝড়-বৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড উত্তরপ্রদেশ, নিহত অন্তত ১১১ বৈশ্বিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ চীন-মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক’ চীন-যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প ৬০০ বছরের ঐতিহ্যের সামনে সি-ট্রাম্পের যৌথ উপস্থিতি স্থিতিশীল সম্পর্ক গঠনে একমত সি-ট্রাম্প গবেষণায় সফলতাকে স্বর্ণপদক ও পদোন্নতিতে বিশেষ মূল্যায়ন করা হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে গণমাধ্যমকর্মীদের সচেতনতামূলক কর্মশালা ‘সাধারণ মানুষের সেবায় কোনো ধরনের হয়রানি নয়: জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা ও যুবকদের দক্ষ করতে ডব্লিউএফপি-এর সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি

জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপারসহ ১৯ জন আসামী করে মামলা

সুলতান আল এনাম,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় জামায়াত নেতা এনামুল হক হত্যার ঘটনায় মামলার তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে। কোটচাঁদপুরের চাঁদপাড়া গ্রামে ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি জামায়াত নেতা এনামুল হককে হত্যার ঘটনায় রোববার দুপুরে কোটচাঁদপুর আমলী আদালতে মামলার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেনসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন নিহতের ভাই বায়েম তারিকুজ্জামান।বায়েম তারিকুজ্জামান অভিযোগ করেছেন যে,তার ভাই এনামুল হককে ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ থেকে সাদা পোশাকধারীরা তুলে নিয়ে যায়। এনামুল হক ওই সময় জামায়াত-সমর্থক চেয়ারম্যান প্রার্থী তাজুল ইসলামের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে অপহৃত হন।

 

 

পরে ২৬ জানুয়ারি কোটচাঁদপুরের নওদাপাড়া গ্রামে তার গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ সেই সময় দাবি করেছিল, যৌথ বাহিনীর অভিযানে এনামুল হক নিহত হন।মামলার তদন্তে নতুন অভিযোগ এসেছে যে,এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের সমন্বিত ষড়যন্ত্র ছিল। মামলায় সাবেক ঝিনাইদহ-৩ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য নবী নওয়াজ, শফিকুল আজম খান চঞ্চলসহ ১৪ জন এবং কোটচাঁদপুরের সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, এসআই মজিদুর রহমান,এসআই সৈয়দ আলী ও কনস্টেবল সম্রী কুমারসহ মোট ১৯ জনকে আসামী করা হয়েছে।আদালত মামলাটি গ্রহণ করে কোটচাঁদপুর থানার ওসিকে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে, কোটচাঁদপুর থানার ওসি মো. সৈয়দ আল মামুন জানিয়েছেন, আদালতের আদেশ এখনো থানায় পৌঁছায়নি। আদেশ হাতে পেলে মামলার কার্যক্রম শুরু হবে।এই মামলা রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে গুরুতর বিতর্ক সৃষ্টি করেছে এবং এলাকার জনগণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের দিকে সবাই তাকিয়ে রয়েছে।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD