মরণব্যাধি ক্যান্সার তার পিছু ছাড়ছে না, ছোট্ট জনির শরীরে প্রতিনিয়তই রিপ্লেস করতে হচ্ছে রক্ত। সবজি বিক্রেতা বাবা আজিবার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ছেলেকে বাঁচাতে। ইতোমধ্যে চিকিৎসকরা খুলনা ও ঢাকা থেকে ফেরৎ পাঠিয়েছেন। বাড়ির শেষ সম্বল বিক্রি আর অনুদানের টাকায় শেষ চিকিৎসার আশা বুকে নিয়ে কলিজার টুকরা ছেলে জনির চিকিৎসার জন্য রওয়ানা হন আজিবার। ভারতের ভেলরে নেয়ার পর চিকিৎসকরা জানিয়েছেন প্রচুর টাকা খরচের কথা।
প্রায় ১০ লক্ষ টাকায় ফিরে পেতে পারে জনি তার স্বাভাবিক জীবন। কিন্তু এতো টাকা কোথায় পাবেন দিন মজুর পিতা আজিবার? চোখে মুখে হতাশার ছাপ। আল্লাহর কাছে আকুতি জানিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন আজিবার।
আজিবার বলেন, “হে আল্লাহ তুমি আমার ছেলেকে ফিরিয়ে দাও” আমি এতো টাকা কোথায় পাবো! এক প্রকার দিন মজুর পিতা আজিবারের চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছে তার প্রাণের প্রিয় শিশু সন্তানকে আক্রান্ত মরণব্যাধি ক্যান্সার। চিকিৎসার শেষ আশা বুকে নিয়ে ছুটছেন বিত্ত্ববানদের দুয়ারে দুয়ারে। যে যা পারছেন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন ছোট্ট শিশু জনির চিকিৎসার জন্য।
জানাগেছে, হতদরিদ্র আজিবার গাজী কপিলমুনি বাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করে কোন রকম সংসার চালান তিনি। এক প্রকার দিন আনে দিন খায় অবস্থা। দুই সন্তানের জনক আজিবার ৬ মাস আগে তার ছোট ছেলে রাব্বি ইসলাম জনির (৫) ঘনঘন জ্বরের কারণে ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে তাকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত বলে জানান চিকিৎসকরা। এমন অবস্থায় ছেলের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জনের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করে হতভাগ্য আজিবার।
বর্তমানে ছেলেকে নিয়ে ছুটাছুটি করার কারনে আজিবারের ছোট্ট ব্যবসাটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম। আজিবার আরো জানায়, এলাকার অনেকেই ছেলের চিকিৎসার জন্য হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ৯ থেকে ১০ লাখ টাকা। হতদরিদ্র আজিবারের পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়।
সম্প্রতি ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। সন্তানের চিকিৎসার জন্য সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন তিনি। সাহায্য পাঠানোর জন্য আজিবারের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ০১৭৭৯৯৪৮৬৩৫।