জার্মানবাংলা ডেস্ক:যেসব পণ্য প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হয়েছে (বাসসের প্রতিবেদন অনুসারে):
১.তীর ব্র্যান্ডের সরিষার তেল
২.জিবি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল
৩.পুষ্টির সরিষার তেল
৪.রূপচান্দার সরিষার তেল
৫.সান ব্র্যান্ডের চিপস
৬.আরা ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
৭.আল সাফি ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
৮.মিজান ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
৯.মর্ণ ডিউ ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
১০.ডানকানের ন্যাচারাল মিনারেল ওয়াটার
১১.আর আর ডিউ ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
১২.দিঘী ব্র্যান্ডের ড্রিংকিং ওয়াটার
১৩.প্রাণের লাচ্ছা সেমাই
১৪.ডুডলি ব্র্যান্ডের নুডলস
১৫.টেস্টি তানি তাসকিয়া ব্র্যান্ডের সফট ড্রিংক পাউডার
১৬.প্রিয়া সফট ড্রিংক পাউডার
১৭.ড্যানিশ ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া
১৮.প্রাণের হলুদের গুড়া
১৯.ফ্রেস ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া
২০.এসিআই পিওর ব্র্যান্ডের ধনিয়া গুড়া
২১.প্রাণ ব্র্যান্ডের কারি পাউডার
২২.ড্যানিস ব্র্যান্ডের কারি পাউডার
২৩.বনলতা ব্র্যান্ডের ঘি
২৪.পিওর হাটহাজারির মরিচের গুড়া
২৫.মিষ্টিমেলার লাচ্ছা সেমাই
২৬.মধুবনের লাচ্ছা সেমাই
২৭.মিঠাই এর লাচ্ছা সেমাই
২৮.ওয়েল ফুডের লাচ্ছা সেমাই
২৯.এসিআইয়ের আয়োডিনযুক্ত লবণ
৩০.মোল্লা সল্টের আয়োডিনযুক্ত লবণ
৩১.কিং ব্র্যান্ডের ময়দা
৩২.রূপসা ব্র্যান্ডের দই
৩৩.মক্কা ব্র্যান্ডের চানাচুর
৩৪.মেহেদি ব্র্যান্ডের বিস্কুট
৩৫.বাঘাবাড়ির স্পেশাল ঘি
৩৬.নিশিতা ফুডসের সুজি
৩৭.মধুযুলের লাচ্ছা সেমাই
৩৮.মঞ্জিল ফুডের হুলুদের গুড়া
৩৯.মধুমতি ব্র্যান্ডের আয়োডিন যুক্ত লবণ
৪০.সান ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া
৪১.গ্রিনলেনের মধু
৪২.কিরণ ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই
৪৩.ডলফিন ব্র্যান্ডের মরিচের গুড়া
৪৪.ডলফিন ব্র্যান্ডের হলুদের গুড়া
৪৫.সূর্য ব্র্যান্ডের মরিচের গুড়া
৪৬.জেদ্দা ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই
৪৭.অমৃত ব্র্যান্ডের লাচ্ছা সেমাই
৪৮.দাদা সুপারের আয়োডিন যুক্ত লবণ
৪৯.তিনতীরের আয়োডিনযুক্ত লবণ
৫০.মদিনা, স্টারশিপের আয়োডিনযুক্ত লবণ
৫১.তাজ ব্র্যান্ডের আয়োডিনযুক্ত লবণ
৫২.নূর স্পেশালের আয়োডিন যুক্ত লবণ
কাশেম ফুডের চিপসি
বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়ায় উপরিক্ত খাদ্যপণ্য অবিলম্বে বাজার থেকে প্রত্যাহার এবং সেগুলো ধ্বংস করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এসব খাদ্যপণ্যের মধ্যে নামীদামী ব্র্যান্ডেরও প্রডাক্ট রয়েছে।
হাইকোর্ট আরও নির্দেশ দিয়েছেন, এসব খাদ্যপণ্য বিক্রি ও সরবরাহে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মানের পরীক্ষায় কৃতকার্য না হওয়া পর্যন্ত এসব উৎপাদন বন্ধ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের প্রতি এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার একটি রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে এসব নির্দেশ বাস্তবায়ন করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।