শিরোনাম :
নিউইয়র্কে ‘উইমেন লিডার্স’ প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান বহর আধুনিকায়নে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন চুক্তি, কিনবে ১১ উড়োজাহাজ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম জয় এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যু: মামলায় আসামি মামা কারাগারে কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কারিগরি সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় সভা নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লবায়ু সংকট মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর কার্যকর সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী চীন-মার্কিন সুসম্পর্ক বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখবে: জরিপ খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় কৃষকদের আয় ও উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

সদর হাসপাতালে নেই শিশু বিশেষজ্ঞ ভোগান্তিতে রোগী

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৯

হাসান শাহরিয়া রিপন, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ পদ শূন্য থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জেলার ঠান্ডাজনিত রোগের শিশু  রোগীরা। ষ্টাফ নার্স দিয়ে কোন মতে চলছে শিশু বিভাগের চিকিৎসার কার্যক্রম। মেডিকেল কলেজের একজন চিকিৎসক সংযুক্তিতে থাকলেও তিনিও হিমসিম খাচ্ছেন রোগীদের চাপ সামলাতে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট আর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের চাপ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন সেখানে কর্তরতরা। সেখানে মাত্র ১০টি বেড থাকলেও রোগীদের চাপে বেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বেডে জায়গা না পাওয়ায় মেঝেতে গাদাগাদি করে রাখা হয়েছে এই সব শিশু রোগীদের। সেখানে ভর্তি হওয়া রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, সকালে একবার একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রাউন্ড দিতে আসেন। সময়ের অভাবে তিনি তড়িঘড়ি করে দেখে চলে যান। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষসহ সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ দিনে এখানে ভর্তি হয়েছে ১৭৬ জন শিশু। যার বেশিরভাগ ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত। হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১ জন শিশু ভর্তি হচ্ছে। আবার ডাক্তার না থাকায় দু’একদিন চিকিৎসা নিয়েও চলে যাচ্ছেন কেউ কেউ।
এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নার্স বলেন, শিশু ওয়ার্ডে ২০১৭ সাল থেকেই কোন শিশু বিশেষজ্ঞ নেই। বিগত সময়ে ডা. শাসুর রহমান চিকিৎসাপত্র দিলেও বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা মেডিকেলে চলে যাওয়ায় এই পদটি খালি হয়ে গেছে। কিন্তু কষ্ট হলেও ডা. শামসুর রহমান প্রতিদিনই সদর হাসপাতালে এসে বাচ্চাদের দেখে যান।
এ ব্যাপারে ডা. শামসুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আমি দুই হাসপাতালে একই সাথে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এতে রোগীরা ভালো সেবা পাচ্ছেন না। তাই অচিরেই এই পদটিতে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এই পদটি দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে। শুধু এই পদটিই নয় হাসপাতালে আরও বেশ কিছু পদ খালি রয়েছে। এখানে যোগদানের পর থেকে আমি নিয়মিত চিঠিপত্র আর মৌখিকভাবে বিভিন্ন জায়গায় আমাদের সমস্যার কথা জানিয়েছি। কিন্তু এই সমস্যার কোন সমাধান যে অচিরেই হবে, তার কোন সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি না।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD