শিরোনাম :
জাতিসংঘে প্রথম দিনে তারেক রহমানের ১০ কর্মসূচিতে ৩৬০ ডিগ্রি কূটনৈতিক কৌশলের প্রতিফলন হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, চলতি মাসে সর্বোচ্চ চীন-মার্কিন বাণিজ্যের ভিত্তি পারস্পরিক সুবিধা: সিজিটিএন জরিপ সেপ্টেম্বরে পাস হওয়া তিন আইনে মানবাধিকার সুরক্ষা দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা: এইচআরডব্লিউ মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমান তারেক রহমান ও এরদোগানের বৈঠক, বাংলাদেশ-তুরস্ক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব নিউইয়র্কে ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে অপরাধের অভিযোগ: মোজাফফরের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের শুনানি জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা সম্পাদকীয় : কিশোর অপরাধের বিস্তার – নিরাপত্তা কোথায়!

প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় হাঙ্গেরি যাচ্ছে রাবেয়া ও রোকাইয়া

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৪ জানুয়ারী, ২০১৯

জার্মানবাংলা রিপোর্ট: পাবনায় জন্ম নেওয়া মাথা জোড়া লাগানো রাবেয়া ও রোকাইয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় এই শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হচ্ছে হাঙ্গেরি। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তারা এমিরেটাস এয়ার লাইন্সের একটি বিমানে করে হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা হবে।

শিশুদের সাথে তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম, মা তাসলিমা, বোন তাসনিম ও শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক ডা. হোসেন ইমাম হাঙ্গেরি যাবেন। সেখানে তাদের অন্তত তিন মাসের মতো থাকতে হতে পারে। তবে হাঙ্গেরি নিলেও সেখানে তাদের মাথা আলাদা করার মূল অপারেশন হবে না। সেখান থেকে ফেরার পর বাংলাদেশে মূল অপারেশন হবে।

শিশুদের বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা আজ রাত দেড়টার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা দেব। দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আমাদের যাওয়ার জন্য বিমানের টিকিট ও আর্থিক সহায়তাসহ সব ধরনের কাগজপত্র হস্তান্তর করেছেন।’

রাবেয়া ও রোকাইয়া নামের এই জোড়ামাথার শিশুদের বাড়ি পাবনার চাটমোহর উপজেলার আটলঙ্কা গ্রামে। তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম উপজেলার অমৃতকুণ্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।

২০১৬ সালের ১৬ জুলাই পাবনার পিডিসি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে এই শিশুদের জন্ম হয়। জন্মের ঠিক পূর্বে আলট্রাসনোগ্রাফি করালেও জোড়া লাগানো মাথা ধরা পড়েনি। জন্মের পর জোড়ামাথা ধরা পড়লে তিন দিনের মাথায় তাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করানো হয়। তখন একজনের জন্ডিস ছিল। বিএসএমএমইউতে দীর্ঘদিন তাদের চিকিৎসা চলে। সুস্থ হলে তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। পরে ১৬ মাস বয়সে ২০১৭ সালের ২০ নভেম্বর তাদের ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করা হয়।

বাংলাদেশে জোড়া শিশু অস্ত্রোপচারে প্রথম সফলতা আসে ২০০৮ সালে। এরপর ২০১৬ সালের ৭ মার্চ বাগেরহাটে জন্ম নেওয়া জোড়া শিশুর অস্ত্রোপচার ওই বছরের ২০ জুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে করা হয়। পূর্ণাঙ্গ শিশু থেকে অপূর্ণাঙ্গ শিশুটিকে পৃথক করা হয়। পূর্ণাঙ্গ শিশু মোহাম্মদ আলী সুস্থ হওয়ার পর গত ২০ জুলাই তাকে তার মায়ের কোলে তুলে দেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান।

এর আগে গত ২০১৬ সালের ১৭ জুন যশোরে জন্ম নেওয়া বুক জোড়া লাগানো মেয়েশিশু দুটি জন্মের চার দিনের মাথায় মারা যায়। জন্মের তিন দিনের মাথায় তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনা হয়েছিল। তবে জোড়া মাথার শিশুর অপারেশনের প্রস্তুতি এই প্রথম।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD