দীর্ঘ ১৭ বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে স্ত্রী ও কন্যাসহ তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দেশে ফেরার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
বিমানবন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে আনুষ্ঠানিকতা শেষে পূর্বনির্ধারিত একটি বাসে চড়ে তারেক রহমান রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনার সমাবেশস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তার জন্য অপেক্ষা করছেন কয়েক লাখ বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থক। সমাবেশে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।
গণসংবর্ধনা শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন দলের চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন। এরপর সেখান থেকে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে যাওয়ার কথা রয়েছে তার।
এর আগে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তারেক রহমানকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করেন তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু। এ সময় পরিবারসহ তাকে স্বাগত জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ শীর্ষ নেতারা। দীর্ঘদিন পর দলের শীর্ষ নেতার দেশে প্রত্যাবর্তনকে বিএনপি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট বিজি-২০২ (বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার) প্রথমে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে সংক্ষিপ্ত বিরতির পর ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই প্রত্যাবর্তন নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।