শিরোনাম :
ভালোবাসা, মর্যাদা ও বৈচিত্র্যের বার্তা নিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঢাকা প্রাইড ২০২৬ অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন ও ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪০ বছর পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের জয় অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত ও গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের বাজেট দেওয়া হচ্ছে : অর্থমন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্যে সাক্ষাৎ ‘ফেয়ারওয়েল মাই কনকিউবাইন’ থেকে নতুন আইপি বাণিজ্য-কানে চীনা সিনেমার নতুন অধ্যায় চিপ শিল্পে নতুন সমীকরণ: ‘থাও সূত্র’ ঘিরে বৈশ্বিক প্রযুক্তি মহলে আলোচনা ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত হবে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৭তম সীমান্ত সম্মেলন সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ

মরদেহ গেলো কার্গোতে, স্বজনরা ইউএস-বাংলায়

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৯ মার্চ, ২০১৮

ত্রিভুবন বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় নিহত-আহত যাত্রীদের স্বজনদের নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে উড়াল দিয়েছে ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট। আর নিহত ২৩ জনকে নিয়ে যাচ্ছে বিমানবাহিনীর একটি এয়ারক্রাফট (কার্গো)।

সকালে নেপালের বাংলাদেশ দূতাবাসে নিহতদের প্রথম নামাজে জানাজা শেষে ত্রিভুবন বিমানবন্দরে মরদেহগুলো ১০টার দিকে আনা হয়। এরপর মরদেহ ঢাকায় নিতে দুপুর ১২টার দিকে নামে বিমানবাহিনীর কার্গো এয়ারক্রাফট দু’টি। নামার আগে এয়ারক্রাফট দু’টিকে হেভি ট্রাফিকের কারণে ত্রিভুনের আকাশে ঘণ্টাখানেক চক্কর দিতে হয়।

স্বজনরা আগেই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করে রেখেছিলেন। ফলে আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর দুপুর ১টা ২৭ মিনিটের দিকে উড়ে যায় ইউএস-বাংলার বিশেষ ফ্লাইট। এরপর ঢাকার পথে মরদেহ নিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে উড়াল দেয় বিমানবাহিনীর কার্গো।

তিনজনের মরদেহ শনাক্ত না হওয়ায় তাদের মরদেহ আপাতত নেওয়া হচ্ছে না। পিয়াস রায়, নজরুল ইসলাম ও আলিফুজ্জামানের মরদেহ এখনো ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি টিচিং কলেজেই রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত মাশরি বিনতে শামস জানিয়েছেন, নজরুল ইসলামের মরদেহ আগামী দু’দিনের মধ্যে পাঠানো হবে। আর ডিএনএ টেস্টের পর দ্রুততার সঙ্গেই পাঠানো হবে বাকি দু’জনকে।এদিকে কবীর হোসেন নামে আহত এক ব্যক্তি স্বজনদের সঙ্গে চলে যাওয়ায় নেপালে দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে চিকিৎসারত আর কেউ নেই। চীনা, নেপালিদের মরদেহও চিহ্নিতের পর হস্তান্তর করা হয়েছে।

২৩ নিহত বাংলাদেশি হলেন- উম্মে সালমা, আঁখি মনি, বেগম নুরুন্নাহার ও শারমিন আক্তার, নাজিয়া আফরিন ও এফ এইচ প্রিয়ক, -বিলকিস আরা, আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, তামাররা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহারা তানভীন শশী রেজা, অনিরুদ্ধ জামান, রফিক উজ জামান এবং পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ, খাজা সাইফুল্লাহ, ফয়সাল, সানজিদা ও নুরুজ্জামান।

বিমান বাহিনী কার্গো প্লেন যাত্রীদের ঢাকায় নিয়ে গেলে আর্মি স্টেডিয়ামে আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে মরদেহ। গত ১২ মার্চ মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনায় আহত হন ১০ বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ডা. রেজওয়ানুল হক শাওন ও ইমরানা কবির হাসি নামে দু’জনকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকায় আনা হয়েছে শাহীন ব্যাপারি, মেহেদী হাসান, তার স্ত্রী কামরুন নাহার স্বর্ণা, আলমুন নাহার অ্যানি, শেহরিন ও শেখ রাশেদ রুবায়েতকে। বাকি দু’জনের মধ্যে ইয়াকুব আলীকে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। কবির হোসেন নামে অপর যাত্রীকে আনা হবে সোমবার।

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD