বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির ৭ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েকজনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কারও-কারও পদ স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া শ্রমিক দল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েক নেতাকর্মীকে বহিষ্কার ও কারণ দর্শনানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট পদত্যাগের পর বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বাসা-বাড়ি, মন্দির, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
এসব ঘটনায় কিছু-কিছু জায়গায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে। তার প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত দলটির বিভিন্ন সংগঠনের প্রায় ৭০-এর নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিএনপির নেতারা বলছেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে- দলের কেউ যেন হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটে না জড়ায়। একইসঙ্গে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মন্দির, গির্জা কোনও ধরণের সহিংসতা না হয় তার জন্য পাহারা দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের দাবী, অধিকাংশ জায়গায় দুষ্কৃতিকারীরা এসব ঘটনা ঘটিয়ে বিএনপির ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রধান খালেদা জিয়া বুধবার (৭ আগস্ট) ভিডিও কলের মাধ্যমে পল্টনে দলের সমাবেশে দেয়া ভাষণে প্রতিশোধের পথ পরিহার করার আহ্বান জানান।
ওইদিন সমাবেশে ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে বিএনপির নামে কেউ ভাঙচুর ও সহিংসতায় লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করলে, তাকে ধরে প্রশাসনের হাতে তুলে দিতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান।