শিরোনাম :
জাতিসংঘে বিশ্বশান্তি ও রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি হাসপাতালে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগে ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার জাইমা রহমান জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর চার দফা প্রস্তাব জাতিসংঘে GPE-এর উচ্চপর্যায়ের আয়োজনে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে আরও অর্থায়ন চাইলেন ববি হাজ্জাজ নিউইয়র্কে ‘উইমেন লিডার্স’ প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দিলেন ডা. জুবাইদা রহমান বহর আধুনিকায়নে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন চুক্তি, কিনবে ১১ উড়োজাহাজ শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম জয় এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যু: মামলায় আসামি মামা কারাগারে কপ-৩১ সম্মেলনে বাংলাদেশের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কারিগরি সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় সভা

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ হাসপাতালেই প্রাইভেট প্রাকটিস করুন

জার্মানবাংলা২৪ রিপোর্ট :
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
সাধারণত সরকারি হাসপাতাল এ দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর চিকিৎসকরা আলাদা চেম্বারে অর্থের বিনিময়ে চিকিৎসা প্রদান করে থাকেন। এখন থেকে সরকারি হাসপাতালেই সেই ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সভাপতিত্ব করার সময় এই নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন এসব কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, বৈঠকে ডে-কেয়ার সেন্টার, কিডনি, হার্ট, ক্যান্সার ও পক্ষাঘাতগ্রস্তদের জন্য আলাদা আলাদা ব্লক এবং রোগীরা আলো-বাতাস পায় এমনভাবে হাসপাতাল তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সরকারি হাসপাতালেই যাতে চিকিৎসকরা একটা উইং (শাখা) নিয়ে বসে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে। যেমন আছে বারডেমে। সেখানে একটা উইং আছে, যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বসেন।

ডে-কেয়ার সেন্টারের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু কিছু নার্স বা সিস্টার আছেন যাদের শিশু সন্তান আছে, এছাড়া কিছু কিছু রোগীও বাচ্চা কোলে নিয়ে আসেন, এদের জন্য একটা ডে-কেয়ার সেন্টার করার জন্য বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন হাসপাতালের ডিজাইন দেখলে মনে হয় বাসা বা ফ্ল্যাট। মানে একটা হোটেল হোটেল ভাব। হাসপাতালকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন করেন। যাতে রোগীরা একটু আলো-বাতাস পেতে পারে। ডোন্ট মেক ইট ব্লক অব বিল্ডিং। প্লেনে যারা ঢাকায় এসেছেন, তারা বলেছেন, বন্দর বন্দর মনে হয় ঢাকাকে। উপর থেকে যেন মনে হয় হাজার হাজার কন্টেইনার।’

এম এ মান্নান আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটা পরিবর্তন করুন। ডিজাইনটা একটু সুন্দর করুন। খোলামেলা করুন। রোগীরা যাতে আলো-বাতাস পেতে পারে, সেই ব্যবস্থা করুন। প্রয়োজনে ব্যাংককে, চেন্নাইয়ে বাইরের দেশগুলোতে ভালো ভালো হাসপাতাল আছে, সেগুলো দেখে আসুন, তারা কীভাবে বিল্ডিংগুলো করছে, দেখুন।’

শেয়ার করুন:
এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বিজ্ঞাপন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
©germanbanglanews24
Developer Design Host BD