বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম পুনরায় স্পষ্ট বার্তা দিলেন- “ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”
শুক্রবার নেত্রকোনায় স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “পতিত সরকারের আমলের কিছু সুবিধাভোগী নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের পেইড ব্যক্তি। এসব বিভ্রান্তিতে জনগণ কান দেবে না। নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে।”
তিনি দৃঢ়ভাবে জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই নির্বাচনী সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ইতোমধ্যে সারাদেশে নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রার্থী বাছাই থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রেস সচিব আরও বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে রয়েছে। একটি শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান ও পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে ডিপ্লোমা ইন লাইভস্টক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীরা বিধিমালা সংশোধন করে দ্রুত নিয়োগ প্রদানের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেন। প্রেস সচিব শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, তাদের দাবির বিষয়টি তিনি প্রধান উপদেষ্টার কাছে পৌঁছে দেবেন।
পরে শফিকুল আলম শহরের মগড়া নদীর পাড়ে অবস্থিত জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করে ময়মনসিংহের উদ্দেশে রওনা হন।
সরকারের এ বার্তা থেকে পরিষ্কার নির্বাচনী সময়সূচি নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। বরং সরকার এবং নির্বাচন কমিশন উভয়েই ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহকে সামনে রেখে প্রস্তুতি জোরদার করছে।